Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
Bd বাংলাদেশ

ট্রাম্পকে থামার আল্টিমেটাম দিল রাশিয়া ও চীন!

প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:

বর্তমান ভূ-রাজনীতিতে এক নাটকীয় মোড় নিয়েছে মধ্যপ্রাচ্য সংকট। স্নায়ুযুদ্ধের পর এই প্রথম দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশ—রাশিয়া ও চীন—একযোগে এবং প্রকাশ্য ভাষায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের সামরিক তৎপরতা বন্ধের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে। পর্দার আড়ালে কোনো কূটনৈতিক চিঠি নয়, বরং সরাসরি ও সমন্বিত ভাষায় এই বার্তা বিশ্বজুড়ে নতুন এক সংঘাতের সংকেত দিচ্ছে।

ঘটনার প্রেক্ষাপট: অপারেশন এপিক ফিউরি সংবাদ বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে এক ব্যাপক হামলা চালায়। এই হামলায় ইরানের শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্যবস্তু করাসহ পারমাণবিক অবকাঠামো ধ্বংসের চেষ্টা করা হয়। তবে পেন্টাগন যা আশা করেছিল, বাস্তবতা হয়েছে তার উল্টো। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে নিখুঁতভাবে পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে।

মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, ইরানকে এই নিখুঁত হামলায় সরাসরি সহায়তা করছে মস্কো। রাশিয়ার ‘ক্যানোপাস-ভি’ স্যাটেলাইট সিস্টেমের মাধ্যমে মার্কিন রণতরী ও যুদ্ধবিমানের অবস্থান সম্পর্কে রিয়েল-টাইম তথ্য ইরানকে সরবরাহ করা হচ্ছে। অন্যদিকে, চীনও বসে নেই। বেইজিং ইরানকে তাদের নিজস্ব স্যাটেলাইট নেভিগেশন সিস্টেম এবং উন্নত রাডার প্রযুক্তি প্রদান করেছে, যা মার্কিন স্টিলথ যুদ্ধবিমানের (যেমন বি-২১ ও এফ-৩৫) কার্যকারিতা কমিয়ে দিচ্ছে।

এই যুদ্ধ যেন রাশিয়ার জন্য লাভজনক হয়ে দাঁড়িয়েছে। জ্বালানি তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ১১০ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ায় মস্কো প্রতিদিন প্রায় ৫০ কোটি ডলার অতিরিক্ত আয় করছে। অন্যদিকে, চীন এই যুদ্ধকে একটি ‘লাইভ ল্যাবরেটরি’ হিসেবে ব্যবহার করছে। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করে তারা তাইওয়ান সংকটের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছে।

এই সংঘাতের সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের পকেটে। যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোলের দাম গত তিন বছরে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা সতর্ক করেছে যে, এই সংকট ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, গত এক দশকে রাশিয়া ও চীন মিলে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার যে বিকল্প কাঠামো তৈরি করেছে, ইরান তার এক বড় উদাহরণ। ফলে আগের মতো একক আধিপত্যের মাধ্যমে কোনো দেশকে বিচ্ছিন্ন করা এখন ওয়াশিংটনের জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

বার্তা বাজার/এমএমএইচ

প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট/আ/মু

Source: bartabazar.com

Leave a Reply

Back to top button