Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
জাতীয়

রাষ্ট্রপতিকে পূর্ণ বিশ্রামের পরামর্শ চিকিৎসকদের

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে উন্নত চিকিৎসা ও পূর্ণ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। গত কয়েক দিনে তিনি দুবার শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়েছেন। সিটি স্ক্যান ও এমআরআই রিপোর্টে হৃদ্‌রোগের সমস্যার পাশাপাশি স্নায়বিক (নিউরোলজিক্যাল) সমস্যাও ধরা পড়েছে। বঙ্গভবনের দায়িত্বশীল সূত্র আমার দেশকে এ তথ্য জানিয়েছে।

সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আগে থেকেই হৃদ্‌রোগে ভুগছেন। তিনি সিঙ্গাপুরে বাইপাস সার্জারি করালেও পরে শরীরে দুর্বলতা, কোমর ও পিঠের ব্যথা বেড়ে যায়। এরপর তিনি যুক্তরাজ্যে গিয়ে মেডিকেল চেকআপও করিয়েছেন।

সম্প্রতি আবারও শারীরিক সমস্যা দেখা দিলে তিনি চিকিৎসকদের শরণাপন্ন হন। রাষ্ট্রপতির সেবায় নিয়োজিত বঙ্গভবনের কর্মীরা জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির ব্যস্ততম দিন কেটেছে। সকালে তিনি নিজ দপ্তরে আসেন। যথারীতি চারটি ফাইলে স্বাক্ষর করেন। এ ছাড়া বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ও করেন।

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের এক কর্মী আমার দেশকে বলেন, রাষ্ট্রপতি অসুস্থতাজনিত কারণে পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন—এ-সংক্রান্ত সংবাদ বৃহস্পতিবার বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও অন্যান্য গণমাধ্যমে প্রকাশ ও প্রচারিত হয়। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যেও বেশ কৌতূহল ছিল। অনেকেই ধারণা করেছিলেন, সেদিনই হয়তো বঙ্গভবনে ‘মহামান্য’র শেষ কর্মদিবস হবে। তবে বঙ্গভবনে বিদায়ের আবহও লক্ষ্য করা গেছে বলে জানান ওই কর্মী।

তিনি বলেন, ‘এমনিতেই মহামান্য শারীরিকভাবে ভীষণ অসুস্থ। এর মধ্যে গণমাধ্যমে পদত্যাগের সংবাদ বেশ গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ ও প্রচারিত হয়েছে। এতে স্বাভাবিকভাবেই তিনি কিছুটা বিষণ্ন ছিলেন। স্যারের সঙ্গে তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করছি। একটি মায়া তো তৈরি হবেই। প্রতিটি বিদায়ই কষ্টদায়ক। আমাদের মধ্যেও সেই অনুভূতিই কাজ করছে।’

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আমার দেশ-এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় নিজের বেশ কিছু আগ্রহ ও ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেছিলেন। সে সময় তাঁর পদত্যাগের প্রসঙ্গও ওঠে। বঙ্গভবনে এখন কেমন আছেন এবং কবে নাগাদ পদ ছাড়তে চান—এমন প্রশ্ন করা হলে রাষ্ট্রপতি স্মিত হেসে বলেন, ‘দেশের সর্বোচ্চ পদে আছি। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার মধ্যে থেকে রাষ্ট্রের কল্যাণে যতটুকু করার, সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। এখন সম্মানের সঙ্গে বিদায় নিতে চাই। সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে দেশ, গণতন্ত্র ও জনগণের জন্য যা কল্যাণকর, সেটাই করার চেষ্টা করেছি।’

চিকিৎসকদের পরামর্শে এবং পরিবার ও নিকটজনদের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি রাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বঙ্গভবনের কর্মীরা।

source: Daily Amar Desh

Leave a Reply

Back to top button