Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
বিশ্ব

ইয়েমেনের বন্দরে সৌদির হামলা, কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি হুতিদের

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নেওয়ার আশঙ্কার মধ্যেই ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীনিয়ন্ত্রিত হোদেইদা বন্দরনগরীতে হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব।

গতকাল শুক্রবার গভীর রাতে পরিচালিত এই হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে হুতি নিয়ন্ত্রিত সরকার।

শনিবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

ইয়েমেনি হুতি সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হোদেইদাকে লক্ষ্যবস্তু করার মাধ্যমে সৌদি সরকার পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলেছে। শুক্রবার গভীর রাতের এই হামলা রিয়াদের জন্য মারাত্মক পরিণতি বয়ে আনবে এবং এর কড়া জবাব দেওয়া হবে।

হুতি-সমর্থিত সংবাদমাধ্যম ‘আল মাসিরাহ’ জানায়, সৌদি বিমান হামলায় দেশটির টেলিযোগাযোগ কর্তৃপক্ষের স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এ ছাড়া কামারান দ্বীপে চালানো হামলায় এক নারী আহত হয়েছেন।

অন্যদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্স প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানায়, হোদেইদা বন্দরে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে।

হোদেইদা বন্দরনগরীটি হুতি-নিয়ন্ত্রিত ইয়েমেনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি লাইফলাইন। অবরুদ্ধ এই অঞ্চলের অধিকাংশ বাণিজ্যিক পণ্য ও মানবিক সহায়তা এই বন্দর দিয়েই ভেতরে প্রবেশ করে।

তবে ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট হোদেইদা বন্দরে সরাসরি আঘাত হানার তথ্য অস্বীকার করেছে। জোটের আনুষ্ঠানিক মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি এই উত্তেজনা বৃদ্ধির জন্য হুতিদের দায়ী করেছেন। লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হুতিদের সাম্প্রতিক আক্রমণকে তিনি ‘কাপুরুষোচিত ও বেপরোয়া’ বলে অভিহিত করেন।

এক বিবৃতিতে তুর্কি আল-মালিকি সতর্ক করে বলেন, হুতিরা যদি তাদের শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যায়, তবে সৌদি জোট প্রয়োজনীয় সমস্ত সামরিক পদক্ষেপ নেবে এবং কঠোর হস্তে তা দমন করবে।

এর আগে গত বুধবার লোহিত সাগরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে কয়েকটি সৌদি তেলবাহী ট্যাংকার লক্ষ্য করে হামলা চালায় হুতিরা। এতে অন্তত একটি ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

হুতিদের দাবি, তাদের ঘোষিত নৌ-অবরোধ লঙ্ঘন করায় ওই ট্যাংকারগুলোতে হামলা চালানো হয়েছিল।

উল্লেখ্য, গত ১৩ জুলাই সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান হামলার পর ২০ জুলাই থেকে এই নৌপথে অবরোধ আরোপ করে হুতিরা। রিয়াদ-সমর্থিত ইয়েমেনি সরকার বিমানবন্দরে সেই হামলার দায় স্বীকার করে দাবি করেছিল, ইরান থেকে অনুমতি ছাড়া একটি উড়োজাহাজ আসার কারণেই সেখানে হামলা চালানো হয়।

হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানান, ২০২২ সালে অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর দুই পক্ষের মধ্যে যে ‘উত্তেজনা প্রশমন পর্ব’ চলছিল, বিমানবন্দরে হামলার মাধ্যমেই তার অবসান ঘটেছে।

এএম

source: Daily Amar Desh

Leave a Reply

Back to top button