Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
Bd বাংলাদেশ

বুয়েট ছাত্রকে বিএনপি নেতাকর্মীদের মারধর— ‘ভোট দিতে পারলাম না, এক কাপড়েই ঢাকা পালাচ্ছি’

প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:

সিরাজগঞ্জে জামায়াতের পক্ষে প্রচারণা চালানোই দুই নারীকে হেনস্তা করার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদ জানালে তাদের ভাতিজা ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী মো. সাদ খানকে ব্যাপক মারধর করা হয়েছে। নিরাপত্তা ঝুঁকি মাথায় নিয়ে সাদ খান এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফেসবুক পোস্টে এসব অভিযোগ করেছেন সাদ খান নিজেই। তিনি বুয়েটের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ভোট দিতে পারলাম না। গতকালই বাড়িতে এসেছিলাম, আজই ঢাকা যাচ্ছি। শুধুমাত্র একটি বিশেষ দলের জন্য বাড়িতে থাকতে পারলাম না। যে কাপড়ে ছিলাম, সেটাই পরে বের হয়ে গেলাম। আপনার বিবেককে প্রশ্ন করে ভোটটা দেবেন।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘আজ দুপুর ১২টার দিকে আমি বাসার উঠানে ছোট বাচ্চাদের সঙ্গে খেলছিলাম। হঠাৎ জোরে চিৎকারের শব্দ শুনে আমি, আমার ছোট ভাই, আমার চাচাতো ভাই ও এক ফুপাতো ভাই রাস্তার দিকে যাই। গিয়ে দেখি, আমার দুই ফুপি যাদের বয়স আনুমানিক ৬৫ বছরের বেশি তাদের বিএনপির কয়েকজন লোক আটকে রেখেছে। তাদের অভিযোগ ছিল, তারা নাকি জামায়াতের প্রচারণা করছিলেন।’

তিনি লিখেছেন, ‘আমি তাদের বললাম, উনাদের তো বয়স অনেক। তাই উনাদের বাড়ির ভেতরে এভাবে আটকে না রেখে ছেড়ে দিন। যেহেতু সেনাবাহিনীকে কল করা হয়েছে এবং তারা আসছে, তারা বিষয়টি দেখবে। তখন বিএনপির একজন আমাকে জিজ্ঞেস করল, তোর নাম কী? তুই কে? আমি পরিচয় দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সে আমার কলার ধরে রাণীগ্রামের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। আমি অনেক কষ্টে তার হাত থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে দৌড়ে পালাই। মাঠের দিকে দৌড় দিলে ৭-৮ জন আমার পেছনে ধাওয়া করে। একপর্যায়ে আমি পড়ে যাই। তখন তারা আমাকে মাটিতে ফেলে লাথি ও লাঠি দিয়ে মারধর করে।’

অভিযোগ করে বুয়েট ছাত্র আরও লিখেছেন, ‘আমার ছোট ভাই ও চাচাতো ভাইকেও তারা কোদাল দিয়ে আঘাত করে। অল্পের জন্য তারা আমাকে ইট দিয়ে মাথায় মারতে পারেনি। একপর্যায়ে একটি ছোট বাচ্চা আমার ওপর শুয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ পর আমার চাচিরা ও আম্মু এসে আমাকে উঠান। এরপর আমি দৌড়ে গিয়ে একজনের বাসায় আশ্রয় নিই। সেখানে একটি রুমে আমার আম্মু আমাকে আটকে রাখেন। আমি ৯৯৯-এ কল দিয়ে বিষয়টি জানালে তারা সেনাবাহিনী পাঠায়। এরপর কী হয়েছে, জানি না। তারা নাকি বলেছে, শুধু বিএনপি উঠুক, তাকে আর তার ভাইদের দেখে নেব। তাই আজকে বাসা থেকে ভাইসহ পালিয়ে আসলাম। আমার চাচাতো ভাইয়ের চোখে গুরুতর আঘাত করা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে সাদ খানের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে জানতে সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানান, কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, প্রতিটি এলাকায় আমাদের টিম রয়েছে। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নিব।

চাঁন্দাবাজ.কম ওয়েবসাইট লাইভ করলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট/আ/মু

Source: thedailycampus.com

Back to top button