যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ আদায়ে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান: বিশ্লেষক

প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:
সংঘাত বাড়ার সাথে সাথে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল খাতকে লক্ষ্যবস্তু বানাতে পারে কি না—এমন প্রশ্নের মুখে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ফ্যাকাল্টি অফ ওয়ার্ল্ড স্টাডিজ’-এর রাজনৈতিক বিশ্লেষক ফয়াদ ইজাদি বলেছেন, যুদ্ধের প্রতিটি পয়সা আদায়ের দিকেই এখন ইরানি কর্মকর্তাদের মূল নজর।
কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফয়াদ ইজাদি বলেন, ইরানের তেল অবকাঠামোতে হামলা মার্কিন কৌশলের অংশ হতে পারে বলে অনেকেই আশঙ্কা করছেন। তিনি বলেন, “হ্যাঁ, মানুষ বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত।” তবে তিনি যোগ করেন যে, ইরানি নেতারা মনে করেন যারা যুদ্ধের এই ক্ষয়ক্ষতি ঘটিয়েছে, শেষ পর্যন্ত তাদেরই এর দাম দিতে হবে।
ইজাদি বলেন, “আমার মনে হয় ইরানি সরকারি কর্মকর্তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, প্রতিপক্ষ ইরানের ওপর যে ক্ষয়ক্ষতি চাপিয়ে দিচ্ছে, তার প্রতিটি সেন্ট যেন তারা ফেরত পায় তা নিশ্চিত করা হবে।”
ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ইরানে আলোচিত হওয়া কিছু প্রস্তাবনার কথা উল্লেখ করেন এই বিশ্লেষক। এর মধ্যে একটি হলো যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দিতে একটি ‘আঞ্চলিক পুনর্গঠন তহবিল’ গঠন করা। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “হয় আমরা একটি আঞ্চলিক পুনর্গঠন তহবিল গঠন করব এবং যারা এই ক্ষয়ক্ষতি ঘটিয়েছে তাদের সেই তহবিলের মাধ্যমে ইরানকে অর্থ ফেরত দিতে হবে।”
তিনি আরও একটি প্রস্তাবের কথা জানান, যা হলো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর কর আরোপ করা।
ইজাদি স্পষ্ট করে বলেন, “ইরান অর্থনৈতিকভাবে ধুঁকবে আর বাকিরা সবাই আনন্দ করবে—সেই দিন এখন শেষ হয়ে গেছে।”
প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট/আ/মু
Source: tbsnews.net

