হরমুজে টোল বসাতে সফল হলে বছরে ৭২ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত রাজস্ব আদায়ে সক্ষম হবে ইরান

প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:
ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য যুদ্ধকে কেন্দ্র করে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম বড় সংকট তৈরি হয়েছে। এদিকে বৃহস্পতিবার ইরানি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এ তেল পরিবহন পথ দিয়ে যাওয়া জাহাজ থেকে টোল আদায়ের জন্য আইন পাসের উদ্যোগ নিয়েছে পার্লামেন্ট। জাহাজপ্রতি ফি হতে পারে ২ মিলিয়ন ডলার।
এদিকে হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধের আগে প্রতিদিন গড়ে অন্তত ১০০ টি জাহাজ পারাপার করতো। ফলে টোল বসাতে সফল হলে এবং জাহাজপ্রতি ২ মিলিয়ন ডলার করে টোল আদায় করলে বছরে ৭২ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত রাজস্ব আদায়ে সক্ষম হবে ইরান, যা বাংলাদেশের মোট বাজেটের থেকেও বেশি। এ অতিরিক্ত রাজস্ব আদায়ের ফলে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়া ইরানের বিভিন্ন স্থাপনা এবং অর্থনীতি পুষিয়ে নিতে পারবে বলে ধারণা করছে অর্থনীতিবিদরা।
এ প্রসঙ্গে ইরানের পার্লামেন্ট সদস্য আলায়েদ্দিন বোরৌজারদি গত রোববার যুক্তরাজ্যভিত্তিক পার্সি ভাষার স্যাটেলাইট চ্যানেল ইরান ইন্টারন্যাশনালকে বলেছেন, হরমুজ প্রণালি পেরোতে কিছু জাহাজ থেকে ২ মিলিয়ন ডলার ফি নেওয়া হচ্ছে। বোরৌজারদি বলেন, "এখন যেহেতু যুদ্ধের একটা খরচ আছে, তাই স্বাভাবিকভাবেই আমাদের এটা করতে হবে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলো থেকে ট্রানজিট ফি নিতে হবে।"
ইরানের আরেক কর্মকর্তা টোল আদায় প্রসঙ্গে বলেন, "এটি একেবারেই স্বাভাবিক। অন্য করিডরগুলোর ক্ষেত্রে দেখা যায়, কোনো দেশের মধ্য দিয়ে পণ্য গেলে শুল্ক দিতে হয়। হরমুজ প্রণালিও একটি করিডর। আমরা এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করি। তাই জাহাজ ও ট্যাঙ্কারগুলো আমাদের শুল্ক দেবে- এটাই স্বাভাবিক।"
প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট/আ/মু
Source: thedeltalens.com

