Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
Bd বাংলাদেশ

শাহবাগে হামলার শিকার সাংবাদিককে ফের প্রকাশ্যে হুমকি ছাত্রদল নেতার

প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:

রাজধানীর শাহবাগ থানার ভেতরে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় ভুক্তভোগী এক সাংবাদিককে ফের প্রকাশ্যে হামলার হুমকি দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজয় একাত্তর হল ছাত্রদল শাখার এক ছাত্রদল নেতা। ওই নেতার নাম সুলাইমান হোসেন রবি। তিনি বিজয় একাত্তর হল ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও হল সংসদের কার্যনির্বাহী সদস্য।

আজ রবিবার (২৬ এপ্রিল) নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে পোস্ট করে ভুক্তভোগী ওই সাংবাদিককে এই হুমকি দেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার শাহবাগ থানায় সাংবাদিকদের ওপর সংঘটিত হামলায়ও অভিযুক্তদের মধ্যে তিনি অন্যতম।

ফেসবুক পোস্টে ঢাকা মেইলের সাংবাদিক মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন সিফাতকে উদ্দেশ্য করে সুলাইমান হোসেন রবি বলেন, ইফতেখার সোহান সিফাত! তুমি সাংবাদিকতার মতো নিরপেক্ষ পেশাকে কলঙ্কিত করেছো। সাংবাদিকতার কার্ড দেখতে চাওয়ায় বিজয় একাত্তর হল ছাত্রদলের প্রোগ্রামে ওইদিন গায়ে পড়ে হলের শিক্ষার্থীদের সাথে ঝগড়া লেগেছো। আমার ভাইদের নোংরা ভাষায় গালিগালাজ করেছো। প্রতিটি প্রোগ্রামে শিবিরের পারপাস সার্ভ করো। এরপরেও সাংবাদিকদের সাথে কোনো ঝামেলা চাইনি বিধায় মিটমাট করে নিয়েছি।

শাহবাগ থানার ঘটনা উল্লেখ করে ওই পোস্টে তিনি আরও বলেন, শাহবাগ থানায় তুমি একই কাজ করেছো। আমার ভাইদের গালিগালাজ করেছো। ছাত্রদলের বড়ভাইয়ের উপর হাত তুলে তুমি ঝামেলা বাধিয়েছো। যে বড়ভাইকে মেরেছো ওই বড়ভাইয়ের নাম শিবির সমিতির বিবৃতিতে দাওনি। তুমি তো ফেঁসে গেছো সোনা। সকল প্রমাণ হাতে চলে এসেছে। মামলার জন্যে প্রস্তুত হও গুপ্ত।

পোস্টের শেষে সরাসরি হামলার হুমকি দিয়ে রবি বলেন, ‘সাংবাদিক হয়ে শিবিরের পারপাস সার্ভ করা তোমার (অশালীন শব্দ) দিয়ে ভরে দিবো।’

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ২৩ এপ্রিল রাত আটটার দিকে রাজধানীর শাহবাগ থানার ভেতরে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে অন্তত ১০ সাংবাদিক হামলার শিকার হন। তারা সবাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সদস্য। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি এই হামলাকে একটি ‘মব’ বা সংঘবদ্ধ হামলা হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। হামলার জন্য তারা ছাত্রদলের নেতা–কর্মীদের সরাসরি দায়ী করেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তিসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছে সমিতি। সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বৃহস্পতিবারের হামলার আগের দিন বুধবারও বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি হলে কয়েকজন সাংবাদিককে ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা হেনস্তা ও হুমকি দিয়েছিলেন।

সমিতির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবারের ওই হামলায় শিকার হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মানজুর হোছাঈন মাহি (কালের কণ্ঠ), সাধারণ সম্পাদক লিটন ইসলাম (আগামীর সময়), নাইমুর রহমান ইমন (ডেইলি অবজারভার), খালিদ হাসান (দেশ রূপান্তর), সামশুদৌজা নবাব (ঢাকা ট্রিবিউন), মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন সিফাত (ঢাকা মেইল), হারুন ইসলাম (নয়া দিগন্ত), সৌরভ ইসলাম (রাইজিংবিডি ডটকম), আসাদুজ্জামান খানসহ (মানবজমিন) অন্তত ১০ সাংবাদিক।

প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট/আ/মু

Source: thedhakadiary.com

Back to top button