মিয়ানমারের নাগরিক পরিচয়ে পালাচ্ছিলেন সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের সহযোগী, বিমানবন্দরে আটক

মিয়ানমারের নাগরিক পরিচয়ে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করছিলেন শীর্ষ সন্ত্রাসী মো. সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদের ফুফাতো ভাই ও সহযোগী গোলাম সারোয়ার খান। জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে ওই পরিচয় তৈরি করেছিলেন তিনি। পরে ডেনমার্কের ট্রাভেল ডকুমেন্টও সংগ্রহ করেন। দেশ ছেড়ে ওমানে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টার সময় রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
শনিবার (৮ আগস্ট) বিমানবন্দরের ডমেস্টিক ফ্লাইটের বহির্গমন এলাকা থেকে গোলাম সারোয়ার খানকে আটক করা হয়। পুলিশ সূত্র জানায়, বিশ্বস্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির একটি আভিযানিক দল বিমানবন্দরে অভিযান চালায়। এ সময় গোলাম সারোয়ার খানকে আটক করা হয়।
পুলিশের দাবি, জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি কাগজপত্র ব্যবহার করে গোলাম সারোয়ার নিজেকে মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে পরিচয় দিতেন। ওই পরিচয় ব্যবহার করে তিনি ডেনমার্কের ট্রাভেল ডকুমেন্ট সংগ্রহ করেছিলেন। বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করছিলেন গোলাম সারোয়ার। তাঁর গন্তব্য ছিল ওমান। বিমানবন্দরের বহির্গমন এলাকা থেকেই তাকে আটক করা হয়।
আরও পড়ুন: সরকারকে আল্টিমেটাম দিয়ে আন্দোলনে নামার ঘোষণা ইনকিলাব মঞ্চের
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার আমিনুর রশিদ বলেন, গোলাম সারোয়ার খান বড় সাজ্জাদের ফুফাতো ভাই ও সহযোগী। বড় সাজ্জাদের অধীনে তিনি ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে তথ্য রয়েছে।
বড় সাজ্জাদ চট্টগ্রামের অপরাধজগতের আলোচিত নাম। তিনি বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছেন। সেখান থেকে হোয়াটসঅ্যাপসহ বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে দেশে থাকা সহযোগীদের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নির্দেশনা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও, বায়েজিদ বোস্তামী ও পাঁচলাইশ এবং জেলার হাটহাজারী ও রাউজান এলাকায় বড় সাজ্জাদের সহযোগীদের তৎপরতা রয়েছে। বড় সাজ্জাদের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের ফোন করে হুমকি, চাঁদাবাজি, বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে গুলি ছোড়া এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
source: The Daily Campus