News

রেলের আধুনিক ছাদযাত্রা, টয়লেটের ব্যবস্থা কোথায়: মাহবুব কবির মিলন

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবির মিলন© সংগৃহীত
রেলের আধুনিক ছাদযাত্রা, ছাদের যাত্রীদের টয়লেট ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবির মিলন। 
 
তিনি বলেছেন, ‘রেলের কাছে আমাদের আবদার। যাত্রী যখন ছাদে উঠাবেনই, ছাদ মজবুত হয়েছে। দুই পাশে ফোল্ডিং রেলিং রাখা হোক। পয়সা নিয়ে আলাদা বেডিং এর সুবিধা। হাতলওয়ালা চেয়ারের সাথে রেলিং এর সঙ্গে মজবুত করে দড়ি বেঁধে এক্সট্রা প্রাকৃতিক স্নিগ্ধা টিকিট প্রচলন করা হোক।’
 
আজ বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজ অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
 
ফেসবুক পোস্টে মাহবুব কবির মিলন বলেন, “ধন্যবাদ বাংলাদেশ রেলওয়েকে। তারা ভারত থেকে ব্রডগেজ নতুন কোচ বানিয়ে আনছে। রেলের ইচ্ছে অনুযায়ীই ভারত কোচের ছাদ শক্তিশালী করেছে, যাতে ট্রেনের ছাদে যাত্রীরা নিরাপদে ভ্রমণ করতে পারে, ছাদ ভেঙ্গে না পড়ে। চমৎকার, আধুনিক এবং কল্যাণমূলক ব্যবস্থা। কিন্তু ভারত বলেনি, ছাদের যাত্রীরা টয়লেট করবে কোথায়, কিভাবে।”
 
তিনি বলেন, “দীর্ঘ পথ ভ্রমণে, মানুষ ছোট এবং বড় প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দেবে, এটাই স্বাভাবিক। এটা মৌলিক অধিকার। তো যাত্রীরা কোচের সাইড দিয়ে জানালার উপরে, অথবা দুই কোচের ফাঁকে কিংবা পানির ট্যাংকের ভিতর, কোথায় কাজ সাড়বে, তার একটা পরিষ্কার গাইডলাইন থাকা প্রয়োজন। রেলের কাছে আমাদের আবদার। যাত্রী যখন ছাদে উঠাবেনই, ছাদ মজবুত হয়েছে। দুই পাশে ফোল্ডিং রেলিং রাখা হোক। পয়সা নিয়ে আলাদা বেডিং এর সুবিধা। হাতলওয়ালা চেয়ারের সাথে রেলিং এর সঙ্গে মজবুত করে দড়ি বেঁধে এক্সট্রা প্রাকৃতিক স্নিগ্ধা টিকিট প্রচলন করা হোক।”
 
সবশেষে মাহবুব কবির মিলন বলেন, “ট্রেনের ছাদের পানির ট্যাংকের ঢাকনা যাতে সহজেই খোলা যায়, সেই ব্যবস্থা চালু রেখে মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান জানানো হোক। ভারতীয় রেলওয়ে জানিয়েছে, বাংলাদেশের যাত্রীদের কথা বিবেচনা ও বাংলাদেশ রেলওয়ের চাহিদার ভিত্তিতে নতুন কোচগুলোর ছাদগুলো আরও বেশি শক্তপোক্ত করা হয়েছে। আমাদের রেল চাহিদা না দিলে ভারতের এটা করার কথা নয়। ধন্যবাদ বাংলাদেশ রেল। আধুনিক ও যুগোপযোগী বর্বর ব্যবস্থা চালুর আঞ্জাম করার জন্য।”
 
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ রেলওয়ের আধুনিকায়নে ভারত থেকে প্রথম চালানে এসেছে অত্যাধুনিক ব্রডগেজ কোচ। ভারতের ‘রাইটস’ (RITES) প্রতিষ্ঠানের সাথে হওয়া মোট কোচ চুক্তির অংশ হিসেবে এই বগিগুলো পাঞ্জাবের কাপুরথলা ফ্যাক্টরিতে বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। প্রথম চালান ১৯টি কোচ আসছে, এই কোচগুলোর মধ্যে রয়েছে এসি স্লিপার, এসি চেয়ার, নন-এসি চেয়ার ও পাওয়ার কার। বাংলাদেশের যাত্রী চাহিদা বিবেচনায় এই বগিগুলোতে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো যুক্ত হয়েছে ‘শিশু পরিচর্যা কক্ষ’ এবং নামাজের স্থান। এছাড়া যাত্রীদের সুরক্ষায় রয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধী ইউরোপীয় নিরাপত্তা প্রযুক্তি। দর্শনা সীমান্ত দিয়ে দেশে আসার পর সৈয়দপুর কারখানায় কারিগরি পরীক্ষা শেষে দ্রুতই এগুলোকে প্রধান আন্তঃনগর ট্রেনের বহরে যুক্ত করা হবে।

source: The Dhaka Diary

Leave a Reply

Back to top button