News

লোডশেডিং ব্যবস্থাপনা ও অপেক্ষা ছাড়া আপাতত উপায় নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ© সংগৃহীত
দেশের চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় আপাতত লোডশেডিং ব্যবস্থাপনা ও অপেক্ষা করা ছাড়া সরকারের হাতে তেমন কোনো বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
 
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীর মহাখালী ব্র্যাক সেন্টারে সিপিডি আয়োজিত ‘নেভিগেটিং বাংলাদেশ এনার্জি ক্রাইসিস’ শীর্ষক সংলাপে অনলাইনে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।
 
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, “এফএসআরইউ মেরামত না হওয়া পর্যন্ত নতুন করে গ্যাস উত্তোলন বা বিদ্যমান গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব নয়। বিদেশি প্রকৌশলীরা টার্মিনাল মেরামতের কাজ করছেন। মেরামত শেষে কারিগরি সমন্বয়ের জন্য পুরো সিস্টেম প্রায় ৭২ ঘণ্টা বন্ধ রাখতে হতে পারে।”
 
গ্যাস সংকট মোকাবিলায় ২০২৯ সালের মধ্যে নতুন অবকাঠামো তৈরির পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, “একটি নতুন এফএসআরইউর অর্ডার দেওয়া হয়েছে। পায়রা, মোংলা ও হিরণ পয়েন্টে আরও তিনটি এফএসআরইউ স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।”
 
শিল্পে গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে ভোলা থেকে কনটেইনার ট্রাকে গ্যাস পরিবহনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে উৎসাহ দিতে সোলার ব্যাটারি ও ইনভার্টারের আমদানি শুল্ক কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। সংলাপে সিপিডি জানায়, অতিরিক্ত আমদানিনির্ভরতা ও কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে দেশের জ্বালানি সংকট তীব্র হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো এবং জ্বালানি মজুত গড়ে তোলার সুপারিশ করা হয়।
 
বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, “গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে শিল্পকারখানায় উৎপাদন ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ কমেছে। শিল্প খাত রক্ষায় গ্যাস সরবরাহে অগ্রাধিকার ও জরুরি ‘রেসকিউ প্যাকেজ’ দেওয়ার দাবি জানান তিনি।”
 
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত জ্বালানি নীতি ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।

source: The Dhaka Diary

Leave a Reply

Back to top button