News

আমির হামজার উপর গণঅধিকার পরিষদের হামলা, জামায়াতের বিবৃতি

কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ উঠেছে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এমপি আমির হামজাসহ সাতজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার।

রোববার (১৬ আগস্ট) দেওয়া এক বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, শনিবার (১৫ আগস্ট) সন্ধ্যার দিকে কুষ্টিয়া শহরের ছয় রাস্তার মোড়ে জনসংযোগ শেষে বাসায় ফেরার পথে পুলিশ এসকর্টে থাকা অবস্থায় মুফতি আমির হামজার গাড়িবহরে অতর্কিত ও বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়েছে।

বিবৃতিতে তিনি অভিযোগ করেন, আমির হামজাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হকিস্টিক ও ইট-পাটকেল দিয়ে তার গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়। এতে আমির হামজা, তার পরিবারের সদস্য ও সফরসঙ্গীসহ সাতজন আহত হয়েছেন। আহতরা কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির ওপর পুলিশের উপস্থিতিতে এ ধরনের হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং এটি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বহিঃপ্রকাশ। তিনি দাবি করেন, আমির হামজা এর আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে উসকানিমূলক বক্তব্য ও সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার বিষয়ে অবহিত করেছিলেন। এরপরও ঘটনাস্থলে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা দুঃখজনক।

তিনি হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনের প্রতি নিরপেক্ষ ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

এদিকে, গণঅধিকার পরিষদকে নিয়ে মুফতি আমির হামজার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে কুষ্টিয়া শহরের ছয় রাস্তার মোড়ে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ সমাবেশ করছিলেন বলে জানা গেছে। এ সময় আমির হামজার গাড়ি ওই মোড়ে পৌঁছালে হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ ওঠে। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

ঘটনা সম্পর্কে সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা বলেন, তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে একটি কর্মসূচিতে ছিলেন এবং রাস্তাঘাট ও কালভার্টসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করছিলেন। আগামী ২০ আগস্ট মন্ত্রণালয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে তিনি এসব তথ্য নিচ্ছিলেন।

আমির হামজা আরও বলেন, ওই সময় তিনি খবর পান যে তাকে ও তার বাবা-মাকে নিয়ে গালাগালি করা হচ্ছে। পরে তিনি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) ফোন করেন। পুলিশের গাড়ি সামনে এবং তার গাড়ি পেছনে থাকা অবস্থায় ছয় রাস্তার মোড়ে পৌঁছালে তার গাড়িতে লাঠি ও হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিত হামলা চালানো হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি জানান, গাড়ির সামনে বসে থাকা তার চাচার পা কেটে যায় এবং তিনি নিজেও মাথায় আঘাত পেয়েছেন।

source: Azadir Dak

Leave a Reply

Back to top button