News

অপ্রতিম হত্যায় আনাসকে আটকের কথা অস্বীকার করল পুলিশ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের ছেলে অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে আনাস নামে একজনকে আটকের তথ্য নিয়ে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) আটকের কথা জানানো হলেও একদিন পরেই সেই বক্তব্য থেকে সরে এসেছে পুলিশ।  

রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার  মো. আনিসুজ্জামান বলেন, অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন- সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯), পিতা নূরে আলম ও মা শিরিনা আক্তার। দ্বিতীয়জন মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ। তার পিতা মনির হোসেন ও মাতা জুলি আক্তার। তৃতীয়জন মোহাম্মদ কামরুল হাসান, পিতা আব্দুল কুদ্দুস ও মাতা কুলসুম আক্তার। চতুর্থজন মো. সিয়াম, পিতা সেলিম মিয়া ও মাতা শিরিন আক্তার।

তখন উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা জানতে চান,  গতকাল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে শাহরিয়ার আনাস নামে একজনকে আটক করার কথা জানানো হয়েছিল। আজ আপনারা বলছেন, তাকে আটক করা হয়নি। বিষয়টি কীভাবে হলো?

প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, জেলা পুলিশ, আমার ডিবি কিংবা আমার কোনো গোয়েন্দা সংস্থার লোক আনাস নামে কাউকে গ্রেপ্তার করেনি। আমি সকল মিডিয়ার সামনে দায়িত্ব নিয়ে বলছি, আমরা আনাস নামে কাউকে গ্রেপ্তার করিনি। 

এর আগে, শনিবার সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দক্ষিণ সার্কেল) মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস জানিয়েছিলেন, অপ্রতিম নিখোঁজের পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসহ আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়। সেখানে অপ্রতিমের সঙ্গে তুহিনকে দেখা যায়। পরে তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়। তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আনাসকে আটক করা হয়েছে। দুজনকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

এর আগে, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কোটবাড়ি এলাকার ভাড়া বাসা থেকে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার কথা বলে মায়ের আইফোন নিয়ে বের হয় সে। এরপর আর বাসায় ফেরেনি। পরে তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

পরে শনিবার দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের একটি নির্জন জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।  

source: The Daily Campus

Leave a Reply

Back to top button