News

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার কবে খুলবে, জানেন না প্রতিমন্ত্রীও

প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর এবং প্রবাসী কর্মীরা© সংগৃহীত

সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি বোয়েসেলের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর কথা বলা হলেও এখনও নেই দৃশ্যমান কার্যক্রম। তবে প্রতিদিনই শত শত অভিবাসন প্রত্যাশী মানুষ ভিড় করছেন বোয়েসেল অফিসে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির কেউ জানেন না কবে শুরু হচ্ছে কার্যক্রম। এছাড়াও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুরও এ বিষয়ে বিস্তারিত জানেন না বলে জানান তিনি। 

বোয়েসেলের একাধিক কর্মী জানান, নতুন করে এখন কিছু জানি না, আর কিছু বলেও নাই। ওখানে একটা নোটিশ টাঙানো আছে যে, হয়তো ৩১ তারিখ থেকে এটার নতুন কোনো ডিসিশন দেবে। মালয়েশিয়ায় আসলেই কবে কলিং হবে, এটা এখনো কেউ শিওর বলতে পারেনি। প্রতিবেদন স্টার নিউজের। 

তাহলে প্রশ্ন হলো মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর বিষয়ে সরকারি দপ্তরে কার কাছে আছে হালনাগাদ তথ্য? গেল সপ্তাহে বায়রার সদস্যদের একাংশের সঙ্গে এক বৈঠকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোখতার আহমেদ অকপটেই স্বীকার করেন, মালয়েশিয়া ইস্যুতে সরকার তাকে সবকিছু জানায় না।

আরও পড়ুন

এ বিষয়ে মো. মোখতার আহমেদ বলেন, “এই মালয়েশিয়ার যে ইস্যুটা, এই ইস্যুটা থেকে প্রথম থেকেই সরকার বা কর্তৃপক্ষ আমাকে একটা সার্টেন ইনফরমেশনের বাইরে কিছুই জানায়নি।”

অন্যদিকে, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক জানান, মালয়েশিয়ার বিষয়ে আমি বিস্তারিত জানি না। এ বিষয়ে আমি কথা বলতে চাই না। বিষয়টি মন্ত্রী ভালো বলতে পারবেন। মন্ত্রী কিংবা প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা— তারা যদি শুরু থেকেই বিষয়টি দেখভাল করে থাকেন, মালয়েশিয়ার বিষয়টি তারা ভালো বলতে পারবেন।

বিষয়টি নিয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর বক্তব্য নিতে কয়েকবার তার দপ্তরে গেলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার বিষয়টি নিয়ে দেশটির ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিপর্যায়ের সঙ্গে বাংলাদেশের ২ দফায় আলোচনা হলেও সেখানে প্রবাসী সচিব ও প্রতিমন্ত্রীর কেউ ছিলেন না বলে মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে।

শীর্ষ নীতিনির্ধারকদের মধ্যে এই সমন্বয়হীনতা বাজারটিকে আরও বেশি অনিশ্চিত করে তুলছে বলে মনে করেন অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা।

তবে অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর বলেন, “যদি মালয়েশিয়ার একটা সেক্টরের কথাই আমরা ধরি, এখানে অনেক স্টেকহোল্ডার, অনেক অংশীদার আছেন। এখানে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা আছেন। তাদের একটা সমন্বয় যেমন দরকার, পাশাপাশি প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ও দরকার, যেহেতু এটা প্রবাসকেন্দ্রিক একটা বিষয়।”

প্রথমে সরকারি পর্যায় থেকে আগস্টের শেষে মালয়েশিয়ার অভিবাসন কার্যক্রম চালুর কথা বলা হলেও পরবর্তীতে সেই তারিখ পিছিয়ে সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ করা হয়।

source: The Dhaka Diary

Leave a Reply

Back to top button