News

তদন্ত কমিটিতে সবাই আমলা, তাই অপরাধ উঠে আসার সম্ভাবনা কম— আইনজীবী হাবিবুর রহমান

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাবিবুর রহমান© সংগৃহীত
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা শেষ মুহূর্তে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে স্থগিত করা হয়েছে। গঠন করা হয়েছে তদন্ত কমিটি। তবে নিরপেক্ষতা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাবিবুর রহমান এ নিয়ে বলেছেন, তদন্ত কমিটিতে সব আমলা থাকার কারণে তদন্তে আমলাদের কোনো অপরাধ থাকলেও উঠে আসার সম্ভাবনা খুবই কম।
 
শনিবার (১০ অক্টোবর) হাবিবুর রহমান নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে বলেন, তদন্ত কমিটিতে সব আমলা থাকার কারণে তদন্তে আমলাদের কোনো অপরাধ থাকলেও উঠে আসার সম্ভাবনা খুবই কম। তাও আবার একই মন্ত্রণালয়ের, একই অধিদপ্তরের।
 
তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, সচিব জড়িত থাকলে অতিরিক্ত সচিব-উপসচিব কী করবে! দেখা যাবে কোনো এক ড্রাইভার বা পিয়নের ওপর দায় চাপানো হচ্ছে। এ ধরনের তদন্ত কমিটি সিভিল সোসাইটির সদস্যদের দিয়ে করা উচিত। অবসরপ্রাপ্ত বিচারক বা সিনিয়র আইনজীবীদের রাখা যায়। দাপ্তরিক সহায়তার জন্য এক-দুই জন মধ্য পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা থাকতে পারেন।
 
প্রসঙ্গত, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ১১তম গ্রেডের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে জনবল নিয়োগের জন্য ১০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠেয় নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ায় ওই পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।
 
বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করার জন্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় একটি পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে প্রশাসন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিবকে। তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন—যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (ফিন্যান্স অ্যান্ড পারফরম্যান্স ম্যানেজমেন্ট অধিশাখা), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব পদমর্যাদার একজন প্রতিনিধি, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক (সিড ফাইন্যান্সিং) এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রশাসন অধিশাখা)।

source: The Dhaka Diary

Leave a Reply

Back to top button