Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
Bd বাংলাদেশ

বাংলাদেশে পাশে দাঁড়ানোয় ৪০ বিলিয়নের ধাক্কা খেতে যাচ্ছে পাকিস্তান

প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:

ভারতের বিপক্ষে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ না খেললে বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। আইসিসি যদি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়, তাহলে পিসিবির অর্থপ্রাপ্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

পিটিআইয়ের হাতে আসা তথ্য অনুযায়ী, আইসিসির ২০২৪ থেকে ২০২৭ অর্থচক্রে পাকিস্তানের মোট প্রাপ্য প্রায় ১৪৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। পাকিস্তানি মুদ্রায় এই অঙ্ক প্রায় ৪০ বিলিয়ন রুপি। বছরে গড়ে তারা পায় প্রায় ৩৮ মিলিয়ন ডলার। বিষয়টি জানিয়ে এক সূত্র বলেছেন, ‘ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেললে আইসিসি যদি পাকিস্তানকে শাস্তি দেয়, তাহলে বর্তমান অর্থচক্রে পিসিবির প্রায় ৪০ বিলিয়ন রুপি ঝুঁকিতে পড়তে পারে।’

এই অর্থের কারণে পিসিবি এখনো আর্থিকভাবে টিকে আছে বলে জানিয়েছেন ওই সূত্র। এর বড় অংশ হারালে পাকিস্তান ক্রিকেটে গুরুতর সংকট তৈরি হবে বলেও তিনি মনে করেন।

সূত্রটি আরও জানান, ২০২৪ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য পিসিবি ইতোমধ্যে বড় অঙ্কের অর্থ পেয়েছে। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন করে তারা প্রায় ৬ মিলিয়ন ডলার আয় করে। তবে স্টেডিয়াম সংস্কার এবং আয়োজন খরচ বেশি হওয়ায় টিকিট ও বক্স বিক্রি থেকে আয় ছিল কম।

লাহোর, করাচি ও রাওয়ালপিন্ডির তিনটি স্টেডিয়াম উন্নয়নে পিসিবির খরচ হয়েছে প্রায় ১৮ বিলিয়ন রুপি। চলমান কাজের কারণে আয় আরও কমেছে। পিসিবি এখনো চলতি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং আগামী ওয়ানডে বিশ্বকাপের অর্থ পায়নি। সূত্রটি বলেন, ‘এই দুই টুর্নামেন্টের অর্থ থেকেই আইসিসি আর্থিক জরিমানা আরোপ করতে পারে।’

আইসিসির অংশগ্রহণ চুক্তিতে সই করায় বৈধ কারণ ছাড়া ম্যাচ না খেললে পিসিবির বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের জরিমানা হতে পারে। সম্প্রচারকারীরাও ক্ষতিপূরণ চাইতে পারে। কারণ এই অর্থচক্রে সম্প্রচার স্বত্বের জন্য তারা দিয়েছে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার। পাকিস্তান ও ভারতের একটি ম্যাচ থেকেই আসে প্রায় ২৫০ মিলিয়ন ডলার বা তার বেশি আয়।

এই চক্রে চারটি আইসিসি টুর্নামেন্টে ভারত-পাকিস্তান চারটি ম্যাচ থেকে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার আয় নিশ্চিত বলে ধরা হয়। এসব ম্যাচ না হলে সব সদস্য বোর্ডের আয় কমে যাবে। পিসিবির আরেকটি বড় আয়ের উৎস হলো পাকিস্তান সুপার লিগ। নতুন দুটি দল যুক্ত হওয়ায় ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি থেকে তারা বছরে প্রায় ৪২ মিলিয়ন ডলার পায়। তবে এই আয়ের বড় অংশ আবার ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর মধ্যে বণ্টন করা হয়।

সব মিলিয়ে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্ত শুধু রাজনৈতিক নয়, বরং পাকিস্তান ক্রিকেটের আর্থিক ভবিষ্যতের জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে উঠেছে।

 

বার্তা বাজার/এস এইচ

প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট/আ/মু

Source: bartabazar.com

Back to top button