Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
Uncategorized

‘অদৃশ্য’ শিক্ষার্থী দেখিয়ে উদ্বৃত্ত খাবার আত্মসাৎ

পাবনার বেড়া উপজেলার একাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ‘অদৃশ্য’ ও অনুপস্থিত শিক্ষার্থী দেখিয়ে অতিরিক্ত শিশুখাদ্য বরাদ্দ নেওয়া এবং উদ্বৃত্ত ডিম, রুটি, দুধ, কলা ও বিস্কুট আত্মসাতের অভিযোগে কোটি কোটি টাকার এই সরকারি প্রকল্প এখন চরম বিতর্কের মুখে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়ানো ও পুষ্টি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই কর্মসূচি শুরু হয়। পাবনা জেলার কেবল বেড়া উপজেলার ১১২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোট ২৪ হাজার ৬৫৮ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রতিদিন গড়ে ২২ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য এসব খাবার বরাদ্দ দেওয়া হয়।

তবে বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। পরিদর্শনে ৩৬ নম্বর ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট ১৯০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ১১১ জন শিক্ষার্থীকে পাওয়া যায়। অথচ ১৭১ জনের নামে প্রতিদিন খাদ্য বরাদ্দ নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিন গড়ে ৪০ থেকে ৫০ জনের উদ্বৃত্ত খাবার শিক্ষকরা নিজেরা ভাগাভাগি করে নেন। প্রধান শিক্ষক ইসরাইল হোসেন পচনশীল খাদ্য নিজেরা নেওয়া এবং বাকিটা স্টকে রাখার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

একইভাবে রূপগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৯১ জনের বিপরীতে উপস্থিতি পাওয়া গেছে মাত্র ২০-২৫ জন। মির্জাপুর-শীতলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫৬ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে দুপুর ২টায় দ্বিতীয় শিফটে কেবল ৭ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল। অভিভাবকদের অভিযোগ, অস্তিত্বহীন বা অনুপস্থিত শিক্ষার্থী দেখিয়ে অতিরিক্ত খাবার তুলে নিয়ে শিক্ষকরা অপচয় ও আত্মসাৎ করছেন।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে বেড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, সাধারণত উপস্থিতি কম থাকলে অতিরিক্ত খাবার অন্য উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেওয়া হয়। তবে নির্দিষ্ট অভিযোগগুলোর সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। একই সাথে বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাও বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

source: Azadir Dak

Leave a Reply

Back to top button