News

পুলিশ হেফাজতে থাকা ছাত্রলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় বিএনপি নেতা কারাগারে

‎ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় পুলিশ হেফাজতে থাকা নিষিদ্ধঘোষিত উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক একাধিক মামলার আসামি রিয়াজুল আলম শাহীন (৩০) কে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বিএনপির এক নেতাসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। 

রবিবার (২৫ অক্টোবর) ভোররাত আড়াইটার দিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়।

‎গ্রেফতারকৃতরা হলেন সরিষা ইউনিয়ন বিএনপির ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নূর মোহাম্মদ মিলন (৫০) এবং নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নয়ন মণ্ডল (২৮)। মিলন উপজেলার সরিষা গাংপাড় এলাকার মৃত আব্দুল আজিজের পুত্র। তিনি এ মামলার এজাহারনামীয় ৫ নম্বর আসামি। অন্যদিকে নয়ন মণ্ডল চর হোসেনপুর এলাকার মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে।

‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আশরাফুল করিম ও গৌরীপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেবাশীষ কর্মকারের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়। 

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ রোমানের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত অভিযানে সরিষা এলাকা থেকে নূর মোহাম্মদ মিলনকে এবং আশ্রবপুর এলাকা থেকে নয়ন মণ্ডলকে গ্রেফতার করা হয়।

‎মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, পুলিশ হেফাজতে থাকা ছাত্রলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় পুলিশের সরকারি কাজে বাধা, পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা ও মারধর করে আহত করা এবং পুলিশের ব্যবহৃত সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

‎ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ রোমান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতার ব্যক্তিদের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তিনি বলেন, অপরাধী যে দলেরই হোক না কেন, কাউকে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না। ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশ পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। অপরাধীদের গ্রেফতারে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তিনি এলাকার সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।

‎
‎
‎

source: The Daily Campus

Leave a Reply

Back to top button