Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
Bd বাংলাদেশ

সাহরির সময় ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা‍

প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলা-এ পবিত্র সেহরির সময় এক গৃহবধূকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে এমন অভিযোগে পুরো এলাকায় চরম চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। নিহত লালা বিবি (৩০) মালয়েশিয়া প্রবাসী আবদু শুক্করের স্ত্রী। পরিবারের দাবি, সাহরি খাওয়ার সময় পরিকল্পিতভাবে ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (৩ মার্চ) ভোররাত আনুমানিক ৩টার দিকে উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়ন-এর পূর্ব মরিচ্যা মধুঘোনা খলার পাহাড় এলাকায় নিজ বসতঘরে সেহরি খাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন লালা বিবি। ঠিক সেই সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত ঘরে প্রবেশ করে। হঠাৎ চিৎকার শুনে পরিবারের অন্য সদস্য ও প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাকে অচেতন অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। পরবর্তীতে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার উদ্যোগ নেওয়া হলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানা যায়।

নিহতের স্বামীর বড় ভাই আবদুল আলম জানান, লালা বিবির গলা, মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নয় বরং নির্যাতনের স্পষ্ট আলামত রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা আরও দাবি করেন, তাদের সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজনের দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এ ঘটনার পেছনে সেই বিরোধ জড়িত থাকতে পারে বলে তারা সন্দেহ করছেন। তারা সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: পারিবারিক বিরোধের জেরে অপহরণ, ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে শিশু ইরাকে গলা কেটে হত্যা

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর আহম্মদ দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। প্রথমিকভাবে ধর্ষনের কোনো প্রমান পাওয়া যাইনি। আলামত ফরেনসিক এ পাঠানো হয়েছে, রিপোর্ট আসলে জানানো যাবে। এছাড়া নিহতের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলেও নিশ্চিত করেন তিনি। তাই পুলিশ এটাকে হত্যা হিসেবে বিবেচনা করছেন।

মামলার বব্যাপারে ওসি জানান, কাল রাতে মামলা করতে এসে অজানা কারণে তারা মামলা না করেই ফিরে যায়। আজকে মামলা করতে আসার কথা আছে। মামলা করলে সম্ভাব্য সব দিক বিবেচনায় রেখে তদন্ত কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।

এর আগে, চট্টগ্রামের চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণের পর সাত বছরের শিশু জান্নাতুল নাইমা ইরাকে নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা চেষ্টা করা হয়। পরে সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে মঙ্গলবার ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার ভোরে মারা যায়। এর আগে চমেক হাসপাতালের ওসিসি-তে তার গলায় জরুরি অস্ত্রোপচার করা হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে শিশুটি।

প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট/আ/মু

Source: thedailycampus.com

Back to top button