সুযোগ থাকলে ইরানের তেল দখল করে নিতাম, কিন্তু আমেরিকানরা চায় ফিরে আসি: ট্রাম্প

প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:
ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে আবারও হামলার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র আর বেশি এগোতে চায় না। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ইরান আত্মসমর্পণ না করলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের অবকাঠামোতে হামলা চালিয়ে যাবে।
ট্রাম্প বলেন, 'আর যদি তারা তা না করে, তাহলে তাদের কোনো সেতু থাকবে না। কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকবে না। কিছুই থাকবে না। তিনি এর বেশি এগোবেন না। কারণ এর থেকেও বড় আরো কিছু বিষয় আছে।' তিনি আরও বলেন, 'আমার হাতে যদি সুযোগ থাকতো তাহলে আমি কী করতাম? আমি সেখান থেকে তেল নিয়ে আসতাম। কারণ নিয়ে আসার জন্যই ওখানে আছে। আমরা যদি সেটা করতে চাই, তাহলে তারা কিছুই করতে পারবে না।' এরপর তিনি বলেন, 'দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমেরিকার জনগণ চায় আমরা দেশে ফিরে আসি। যদি আমার ওপর নির্ভর করত, আমি তাদের সব তেল নিয়ে নিতাম, সেটি নিজের কাছে রাখতাম। অনেক অর্থ উপার্জন করতাম এবং একই সঙ্গে ইরানের জনগণের দেখভালও করতাম।'
ইরানের ওপর বোমাবর্ষণের প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, এসব হামলা বন্ধ হয়ে গেলে ইরানের লোকজনই সবচেয়ে অখুশী হবে। তিনি আরও বলেন, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে দেওয়া হবে না। তাদের 'উন্মাদ' উল্লেখ করে তিনি বলেন, এমন অবস্থায় তাদের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র দেওয়া যায় না। ইরানে মার্কিন বিমান বিধ্বস্ত হওয়া ও সেনা উদ্ধার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি লাকি শট বা ভাগ্যক্রমে গুলি লেগেছিল। তিনি বলেন, 'এই মুহূর্তে হয়তো আমাদের বেশ কিছু হেলিকপ্টারে তাদের গুলির দাগ আছে।'
এর আগের দিন ট্রুথ স্যোশালে দেওয়া এক পোস্টে হরমুজ প্রণালি খুলে না দিলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু ধ্বংসের হুমকি দেন ট্রাম্প। ওই পোস্টে অশালীন শব্দ ব্যবহারের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টির গুরুত্ব বোঝাতেই তিনি এমন ভাষা ব্যবহার করেছিলেন। তিনি বলেন, 'আমার ধারণা, আপনারা শব্দটা আগেও শুনেছেন।'
প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট/আ/মু
Source: thedeltalens.com

