Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
বিশ্ব

ব্রিটেনে লেবার পার্টির নতুন নেতা বার্নহ্যাম, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথ খুলল

ব্রিটেনের লেবার পার্টির নতুন নেতা হিসেবে শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। এর মধ্য দিয়েই সোমবার রাজা তৃতীয় চার্লস তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন। এরপর তিনি যুক্তরাজ্যের ৫৯তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন।

শুক্রবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

গ্রেটার ম্যানচেস্টারের সাবেক মেয়র বার্নহ্যাম এমন এক সময়ে দায়িত্ব নিচ্ছেন, যখন যুক্তরাজ্য ধীর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, উচ্চ সরকারি ঋণ, সংকটে থাকা জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা (এনএইচএস) এবং গভীর রাজনৈতিক বিভাজনের মতো দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার মুখোমুখি।

২০১৬ সালের পর থেকে এসব সংকটের কারণে দেশটিতে ঘন ঘন প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তনের ঘটনা ঘটেছে।

লন্ডনের কেন্দ্রস্থলে লেবার পার্টির বিশেষ সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে বার্নহ্যাম বলেন, ‘রাজনীতি এতদিন যে বড় বিষয়গুলোকে উপেক্ষা করেছে, সেগুলো সমাধানে আমাদের সাহস দেখাতে হবে।’ তিনি এমন রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক কাঠামোকে চ্যালেঞ্জ করার অঙ্গীকার করেন, যা সাধারণ মানুষের জন্য যথেষ্ট কার্যকর নয়।

বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের স্থলাভিষিক্ত হওয়া বার্নহ্যাম এখন পর্যন্ত চলমান সংকট মোকাবিলার বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রকাশ করেননি। ভাষণেও তিনি নির্দিষ্ট নীতির চেয়ে মানুষের মধ্যে আশা ফিরিয়ে আনা, স্থানীয় সম্প্রদায়ের হাতে আরও ক্ষমতা দেওয়া এবং ব্যবসাবান্ধব সরকার গঠনের প্রতিশ্রুতির ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, তার সরকার হবে “স্বতন্ত্রভাবে লেবার আদর্শের সরকার” এবং দলীয় কোন্দল এড়িয়ে সমস্যা সমাধানভিত্তিক রাজনীতি অনুসরণ করবে।

তিনি বলেন, “সবকিছু মিলিয়ে আমাদের এমন একটি পরিকল্পনা দরকার, যা মানুষের হাতে আরও ক্ষমতা ফিরিয়ে দেবে এবং হারিয়ে যাওয়া আশাকে পুনরুদ্ধার করবে। মানুষ আমাদের কাছ থেকে ফলাফল চায়, আর আমরা তা দেব।”

মেয়র থাকাকালে বার্নহ্যাম বারবার অভিযোগ করেছিলেন, ওয়েস্টমিনস্টারের কেন্দ্রীয় সরকার বিশেষ করে ইংল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর চাহিদাকে উপেক্ষা করেছে। এ কারণে সরকার পরিচালনায় বিকেন্দ্রীকরণের প্রতীক হিসেবে ম্যানচেস্টরে একটি সরকারি কার্যালয় স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

ভাষণে তিনি ১৯৮০-এর দশকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারের অর্থনৈতিক নীতিরও সমালোচনা করেন। বার্নহ্যামের ভাষায়, আশির দশকে ব্রিটেন একের পর এক ভুল পথে এগিয়েছিল। আবাসন, পানি, জ্বালানি ও পরিবহনের মতো মৌলিক খাতগুলোর নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল, যার ফলে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় অত্যন্ত বেড়ে গিয়েছিল।

সবশেষে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, গত ৪০ বছর ধরে প্রশাসন যে পথে চলেছে, তার থেকে ভিন্ন একটি নতুন পথে যাত্রা শুরু করবে।

এমএমআর

source: Daily Amar Desh

Leave a Reply

Back to top button