Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
আন্তর্জাতিক

মার্কিন ঘাঁটি থাকা দেশগুলোকে সতর্কবার্তা ইরানের

যেসব দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেগুলোর প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

তারা সতর্ক করে বলেছে, যেসব দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি বা সেনা মোতায়েন রয়েছে, সেসব দেশকে সম্ভাব্য ‘সমতুল্য পাল্টা জবাবের’ জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

একই সঙ্গে ওই দেশগুলোর সরকারকে নিজেদের নাগরিকদের সুরক্ষায় জরুরি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করার আহ্বান জানিয়েছে বাহিনীটি।

ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইআরজিসি এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেছে যে, বিভিন্ন দেশের ভূখণ্ড ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনের ‘লঞ্চপ্যাড’ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর উচিত সম্ভাব্য সামরিক লক্ষ্যবস্তু থেকে নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়া এবং বেসামরিক প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলোকে সক্রিয় করা।

বিবৃতিতে বলা হয়, “যেসব দেশের ভূখণ্ড ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে, তাদের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে বেসামরিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকর করা এবং সম্ভাব্য সামরিক লক্ষ্যবস্তু থেকে মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।”

কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি
আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, তাদের স্থল বাহিনী ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক লজিস্টিকস কেন্দ্র ক্যাম্প আরিফজানে হামলা চালিয়েছে।

তাদের দাবি, ওই হামলায় মার্কিন সেনাসদস্যদের মধ্যে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তবে কতজন হতাহত হয়েছেন বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত- সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

আলি আল সালেম বিমানঘাঁটিতেও হামলার দাবি
একই সময়ে কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটিতেও হামলা চালানোর দাবি করেছে আইআরজিসি।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামলায় ঘাঁটির রাডার ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে পড়েছে। এছাড়া সেখানে থাকা একটি অস্ত্র রক্ষণাবেক্ষণ হ্যাঙ্গার এবং ড্রোন পরিচালনা ও সংরক্ষণ কেন্দ্রও ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

তবে এসব দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। কুয়েত বা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষও তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।

আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা
বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে আইআরজিসির এমন ধারাবাহিক হামলার দাবি এবং মার্কিন ঘাঁটি থাকা দেশগুলোর প্রতি সরাসরি হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

বিশেষ করে কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ যেসব দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি রয়েছে, সেসব দেশও সম্ভাব্য সংঘাতের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান সামরিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেতে পারে বলেও মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। সূত্র: আল-জাজিরা

source: Barta Bazar

Leave a Reply

Back to top button