পাহাড়ি ঢল আর টানা ভারি বৃষ্টির কারণে তিস্তার পানি বেড়ে বিপৎসীমার ছুঁই ছুঁই

উজানে ভারত থেকে আসা পাহাড়ি ঢল আর টানা ভারি বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার একেবারে কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। পানির তীব্র প্রবাহের ফলে নদীর আশপাশের নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার জোরালো শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ৯টায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১৪ সেন্টিমিটার। ওই পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা নির্ধারিত রয়েছে ৫২ দশমিক ১৫ মিটার। ফলে বর্তমানে পানি বিপৎসীমার মাত্র ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
তিস্তার পানি হঠাৎ বৃদ্ধি পাওয়ায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিসা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী ইউনিয়ন এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিচু এলাকাগুলোতে ইতোমধ্যেই পানি ঢুকতে শুরু করেছে।
ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম সাহিন পরিস্থিতি সম্পর্কে জানান, নদীর পানি বাড়তে থাকায় নিচু এলাকা ও বসতবাড়িতে পানি ঢুকছে। বৃষ্টি ও ঢল অব্যাহত থাকলে নিম্নাঞ্চল পুরোপুরি প্লাবিত হয়ে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, তিস্তায় পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার প্রান্তসীমায় পৌঁছেছে এবং এটি আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং পানির চাপ সামলাতে তিস্তা ব্যারেজের সবকটি (৪৪টি) জলকপাট ইতোমধ্যে খুলে রাখা হয়েছে।
source: Azadir Dak

