গ্যাস সংকটে টেক্সটাইল শিল্পের উৎপাদন ব্যাহত, দ্রুত পদক্ষেপ চায় আইটিইটি

দেশে গ্যাসের তীব্র সংকটে টেক্সটাইলসহ বিভিন্ন শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। কোথাও উৎপাদন কমে গেছে, আবার কোথাও কারখানা বন্ধ রাখার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ সংকট দ্রুত সমাধানে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ চেয়েছে দ্য ইনস্টিটিউশন অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড টেকনোলজিস্টস (আইটিইটি) বাংলাদেশ।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) আইটিইটি-এর অফিস সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার ফারুকুল ইসলাম জনির স্বাক্ষর করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গ্যাসের চাপ কম থাকা এবং সরবরাহ অনিয়মিত হওয়ায় অনেক কারখানা স্বাভাবিক উৎপাদন চালাতে পারছে না। এতে টেক্সটাইল ও সংশ্লিষ্ট শিল্পের স্বাভাবিক কার্যক্রমে প্রভাব পড়ছে।
আইটিইটি-এর সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. এনায়েত হোসেন ও মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার এ.এস.এম. হাফিজুর রহমান নিক্সন বলেন, “টেক্সটাইল শিল্প দেশের রপ্তানি, কর্মসংস্থান ও অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হলে শিল্পের সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সংকট দীর্ঘায়িত হলে অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি শ্রমিক ও কর্মচারীরা কর্মহীন হয়ে পড়তে পারেন। এতে দেশের রপ্তানি আয় কমে যাওয়া, বিনিয়োগে নেতিবাচক প্রভাব এবং উৎপাদন ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই শিল্পকারখানায় নিরবচ্ছিন্ন ও পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, এলএনজি সরবরাহে বারবার বিঘ্ন, টার্মিনালের কারিগরি সমস্যা এবং চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় গত জুলাইয়ের শেষ দিক থেকে দেশে গ্যাস সংকট তীব্র হয়ে ওঠে। এর প্রভাবে শিল্পকারখানার উৎপাদন কমার পাশাপাশি উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে, রপ্তানি ও বিনিয়োগেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
source: The Dhaka Diary