যুক্তরাষ্ট্র-ইউরোপের চেয়ে অর্ধেকেরও কম খরচে মিলছে চীনের জে-১০ যুদ্ধবিমান

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, চীন থেকে জে-১০ যুদ্ধবিমান কেনা সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার অংশ। আধুনিক মাল্টিরোল ফাইটার কেনার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও চীনের বিভিন্ন বিকল্প বিবেচনা করা হয়েছে। হিসাব-নিকাশ করে চীনের বিকল্পটি বাংলাদেশের জন্য তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক মনে হয়েছে।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. জাহেদ বলেন, একই ধরনের সক্ষমতার যুদ্ধবিমান তুলনামূলকভাবে অনেক কম খরচে কেনা সম্ভব। এমনকি হিসাব করলে খরচ অর্ধেকেরও কম, প্রায় এক-তৃতীয়াংশের কাছাকাছি হতে পারে।
বাংলাদেশের বিমানবাহিনীর বর্তমান সক্ষমতা নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। তিনি বলেন, দেশের সবচেয়ে আধুনিক যুদ্ধবিমানগুলোর মধ্যে থাকা মিগ-২৯ এখন খুব অল্পসংখ্যক এবং সেগুলোও পুরোপুরি কার্যকর নয়। অন্যদিকে, এফ-৭ যুদ্ধবিমানগুলো অনেক পুরোনো।
তিনি আরও বলেন, আধুনিক মাল্টিরোল ফাইটার কেনার বিষয়টি ‘ফোর্সেস গোল’ এর মধ্যেই রয়েছে। তাই হঠাৎ করে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বরং এটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার অংশ।
তবে যুদ্ধবিমান কেনাকাটায় দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে সতর্ক থাকার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, অতীতে মিগ-২৯ কেনার সময় দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল এবং মামলা ও নানা ঘটনাও ঘটেছিল। সরকার এবার এ বিষয়ে সতর্ক থাকবে।
বোয়িং কেনার বিষয়ে সরকারের ঘোষণা আসেনি
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে বোয়িং কেনার চুক্তি হয়েছে, একজন সাংবাদিক এমন প্রশ্ন করলে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, সরকার এখনো এ বিষয়ে কিছু জানায়নি। ফলে এ নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে মন্তব্য করা সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, যদি কোনো চুক্তি হয়ে থাকে, সরকারই তা জানাবে। এ ধরনের চুক্তি গোপন রাখার কোনো বিষয় নয়, সরকার চুক্তি করলে তা অবশ্যই প্রকাশ করবে।
source: Daily Amar Desh