Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
Bd বাংলাদেশ

২০১৮ এর রাতের নির্বাচনের আগেও মোবাইল নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছিল হাসিনা প্রশাসন

প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:

আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিল নির্বাচন কমিশন। রোববার ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা পাঠিয়েছেন।

এতে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ (চারশত) গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার; ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ইনচার্জ; এবং ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত অঙ্গীভূত আনসার/সাধারণ আনসার/ভিডিপি-এর 'নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬' অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারকারী দুইজন আনসার সদস্য ছাড়া কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না।

চিঠিতে আরও বলা হয়, উল্লিখিত সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে ভোট গ্রহণ কার্যক্রম।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ এ বিষয়ে বলেন, 'এবার আমরা বলছি যে, শত শত মানুষ যদি আমার ওখানে ক্যামেরা নিয়ে ঢোকে, মোবাইল নিয়ে এজেন্টরা ঢোকে, ডাইরেক্ট আমাদের ভোটাররা ঢোকে, তাহলে তো আমার মহা মুশকিল হবে।'

ভোট দেওয়ার সময় ফোন নেবেন না। পরীক্ষার হলেও তো মানুষ ফোন নিতে পারে না।

– নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ

ভোটাররা কি তাহলে ভোট দিতে গিয়ে দুই থেকে পাঁচ ঘণ্টা মোবাইল ফোন ছাড়া থাকবেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আপনার এই প্রশ্নটা খুব আমিও তো নিজেও চিন্তা করছি। আমরা কিন্তু শেষ পর্যন্ত বলে আসছি যে তারপরও ভোটিং প্রসিডিউরে ফোন নেওয়া যাবে না। এটার পক্ষে-বিপক্ষে দুইভাবেই কথা বলছি যে এটাও পার্ট অব আওয়ার লাইফ।

তিনি আরও বলেন, এটা আমরা ভোটারদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছি। তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়াকে ভয় করেই তো আমরা এই কাজটা করেছি। টু কন্ট্রোল সোশ্যাল মিডিয়া, যেটা আমি কন্ট্রোল করতে পারি না। সেজন্য বলছি যে ভোট দেওয়ার সময় ফোন নেবেন না। পরীক্ষার হলেও তো মানুষ ফোন নিতে পারে না। যদি কেউ ভুলে ফোন নিয়ে যান, তিনি দায়িত্বে প্রিজাইডিং অফিসারের কাছে রেখে ভোট দিতে যাবেন।

এর আগে ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সময় মোবাইল ফোন বাইরে রেখেই ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে হয়েছে। কেবলমাত্র সাংবাদিক ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা পেশাগত কাজের কারণে যথাযথ পরিচয় দিয়ে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করার অনুমতি দেয়া হয়েছিলো সে সময়।

এ বিষয়ে তৎকালীন নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেছিলেন, 'ভোট কেন্দ্রে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ছাড়া কেউ মোবাইল নিয়ে ঢুকতে পারবেন না। অ্যান্ড্রয়েড তো দূরের কথা ৪০০ গজের মধ্যে কেউ বাটন মোবাইল নিয়েও ঢুকতে পারবেন না।"

এছাড়া তৎকালীন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) আছাদুজ্জামান মিয়া ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছিলেন, 'নির্বাচনের দিন কাকে ভোট দিয়েছেন অনেকে সেই ছবি মোবাইল ফোনে তোলেন। সাংবাদিকরা ভোট কক্ষে গিয়ে ভিডিও করেন। অনেকে ব্যালট পেপারের ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেন। কেউ আবার গুজব ছড়ান।'

এছাড়া নির্বাচন উপলক্ষ্যে মোবাইল ব্যাংকিং বন্ধসহ ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে আনা, ভোটের দিন গুজব ছাড়ানো রোধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিলো তখন।

প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট/আ/মু

Source: thedeltalens.com

Back to top button