Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
Bd বাংলাদেশ

কুকুর মরলে শোক বয়ে যায়, শিবির মারা গেলে টু শব্দও করবে না: সর্ব মিত্র

প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ‘গুপ্ত রাজনীতি’ ত্যাগ করে সম্পূর্ণ প্রকাশ্যে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা। সম্প্রতি নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই আহ্বান জানান। সিভিল সোসাইটির দ্বিচারিতার কথা উল্লেখ করে তিনি এও লেখেন, কুকুরছানা মরলে শোক বয়ে যায়, ‘শিবির ছানা’ মারা গেলে সিভিল সোসাইটি টু শব্দও করবে না।

সর্ব মিত্র চাকমা তার পোস্টে লেখেন, ছাত্রশিবিরের ‘গুপ্ত রাজনীতি’ করার দরকার কী? এখন তো আওয়ামী লীগ সরকারে নেই। তাদের প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসা উচিত। তারা গুপ্ত রাজনীতি ছেড়ে সম্পূর্ণ প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসুক, এটা আমার ব্যক্তিগত চাওয়া।

তবে প্রকাশ্যে আসার ক্ষেত্রে কিছু প্রতিবন্ধকতার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছরে সমাজ ও রাষ্ট্রে এমন একটি ধারণা প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে যে, শিবিরের কর্মীরা ‘নিঃশর্তভাবে হত্যাযোগ্য’। যদিও সংগঠনটির ওপর রাষ্ট্রের কোনো আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা নেই, তবুও তাদের ওপর সহিংসতা চালানোকে এক প্রকার ‘জায়েজ’ মনে করা হয়।

সম্প্রতি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল সভাপতির একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসেছে, যেখানে তিনি বলেছেন, “হয় ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলব, নয়তো গুপ্ত শিবিরদের হত্যা করব।” এই বক্তব্যের সমালোচনা করে সর্ব মিত্র চাকমা বলেন, “কথাটা খুবই স্বাভাবিক, কারণ আইন হাতে তুলে নিয়ে তারা শিবিরকে হত্যা করতে চেয়েছে। একই বক্তব্য যদি অন্য কোনো সংগঠনকে উদ্দেশ্য করে হতো, তবে নিন্দার ঝড় বইত।”

সিভিল সোসাইটি ও মানবাধিকার কর্মীদের আচরণের সমালোচনা করে সর্ব মিত্র লেখেন, “বিষপানে একপাল কুকুরছানা মারা গেলে সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকের ঝড় বয়ে যায়। অথচ একটা জলজ্যান্ত মানুষ, যাকে ‘শিবিরের ছানা’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, সে মারা গেলে সমাজের সিভিল সোসাইটি, মানবাধিকার নিয়ে হাঁসফাস করা মানুষগুলো টু শব্দটি পর্যন্ত করবে না।”

তিনি মনে করেন, এই পরিস্থিতির কারণে শিবির নিজেও হয়তো এটা মেনে নিয়েছে, তারা নিজেরাও বিশ্বাস করে তারা একেকজন হত্যাযোগ্য প্রাণ, মানবাধিকার তাদের জন্য প্রযোজ্য নয়। তা না হলে সামাজিক মাধ্যমে শিবিরের নেতা-কর্মীদের এ বক্তব্যের প্রতিবাদ দেখতাম।

সবশেষে তিনি তার পোস্টে ছাত্রশিবিরকে প্রকাশ্যে আসার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এবং সমাজকে তাদের মানবাধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট/আ/মু

Source: thedhakadiary.com

Back to top button