Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
Bd বাংলাদেশ

বাসস্ট্যান্ড দখলকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ

প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া বাসস্ট্যান্ড দখলকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকের এ সংঘর্ষের সময় চার-পাঁচটি হাতবোমারও বিস্ফোরণ ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রদলের এক প্রভাবশালী নেতা এবং স্থানীয় বিএনপির নেতা রিফাত মোল্লার গ্রুপের মধ্যে বাসস্ট্যান্ড দখল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের পর বাসস্ট্যান্ডে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

আহতদের মধ্যে কয়েকজন হলেন– আবদুল মালেক গাজী, শাহীন মিয়া, সাজ্জাদ হোসেন ও মাহমুদ হাসান। শাহীন মিয়ার পেছনে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। তাঁকে কেরানীগঞ্জের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সাজ্জাদ হোসেন নামের একজনের চোখে আঘাত লেগেছে।

আহত আবদুল মালেক গাজী বলেন, তেঘরিয়া বাসস্ট্যান্ড নিয়ন্ত্রণ করেন ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রদলের এক প্রভাবশালী নেতা। ৫ আগস্টের পর থেকে বাসস্ট্যান্ড তাঁর দখলে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় যারা ছিল তাদের নিয়েই ওই ছাত্রদল নেতা বাসস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি করছেন। অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গ বাস কাউন্টারের ম্যানেজার বিশাল হোসেন জানান, রিফাত মোল্লার চার-পাঁচজন লোক প্রতিদিন বাসস্ট্যান্ডে এসে যাত্রীদের হয়রানি করে। এ ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেলে বাস কাউন্টারের লোকজন রিফাত মোল্লার লোকজনকে ধাওয়া দেয়।

ঘটনার পর বাসস্ট্যান্ড পরিদর্শনে আসেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি ও স্থানীয় এমপি নিপুণ রায় চৌধুরী। তিনি বলেন, পুলিশকে অনেক আগে বলেছি, তেঘরিয়া বাসস্ট্যান্ডে চাঁদা বন্ধ করার জন্য। রিফাত মোল্লার নেতৃত্বে বিএনপির নেতাকর্মীর ওপর হামলা চালিয়েছে। রিফাত মোল্লা বিএনপির কেউ নয়। তিনি আরও বলেন, কেরানীগঞ্জে কোনো চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের স্থান থাকবে না। পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মামলা করে রিফাত মোল্লাকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করতে হবে।

অন্য পক্ষের বিএনপি নেতা রিফাত মোল্লা বলেন, আমার লোকজনের ওপর হামলা করেছে চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় অভিযোগ করতে গেলে আমার ওপর হামলা চালায় বিএনপির নামধারী লোকজন। এর নেপথ্যে ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রদলের এক প্রভাবশালী নেতার হাত রয়েছে। নিপুণ রায় চৌধুরী এমপি তাঁর পক্ষ নিয়ে পুলিশকে চাপ সৃষ্টি করছেন। তিনি আরও বলেন, আমার বাবা লুৎফর রহমান মোল্লা তেঘরিয়া ইউনিয়নের একাধিকবার চেয়ারম্যান ছিলেন। আমার পরিবার বরাবরই বিএনপি করেছে। বিএনপির পরিবারের হওয়াতে একাধিক মামলায় জেল খেটেছি। আজ বলে আমি বিএনপির কেউ নয়।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, তেঘরিয়া বাসস্ট্যান্ড নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ চলছিল। বুধবার বিকেলে রিফাত মোল্লার লোকজনের ওপর হামলা চালায় একটি গ্রুপ। রিফাত মোল্লা থানায় অভিযোগ করতে এলে সেখানে তাঁর ওপর হামলা হয়।

 

বার্তা বাজার/এস এইচ

 

প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট/আ/মু

Source: bartabazar.com

Leave a Reply

Back to top button