সর্বশেষ

আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে ৭৫ লাখ স্বাক্ষর!

বিশ্বকাপের শিরোপাধারী আর্জেন্টিনা যখন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, ঠিক তখনই দলটিকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। আর্জেন্টিনাকে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে অনলাইনে একটি পিটিশনে ইতোমধ্যে ৭৫ লাখেরও বেশি মানুষ স্বাক্ষর করেছেন বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।

দক্ষিণ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনের বরাতে এনডিটিভি জানায়, পিটিশনটির মূল অভিযোগ—ফিফা এবং ম্যাচ পরিচালনাকারী রেফারিরা লিওনেল মেসি ও আর্জেন্টিনার প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন। এ কারণে অন্য দলগুলো ন্যায্য প্রতিযোগিতার সুযোগ পাচ্ছে না বলেও দাবি করা হয়েছে।

‘আর্জেন্টিনাআউট ডটকম’ নামে একটি ওয়েবসাইটে চালু হওয়া ওই প্রচারণায় বলা হয়েছে, ‘এটা স্পষ্ট যে ফিফা ও রেফারিরা লিওনেল মেসি এবং আর্জেন্টিনার পক্ষে পক্ষপাতদুষ্ট। বিজয়ী যদি আগেই ঠিক করা থাকে, তাহলে বাকি দলগুলো কেন প্রতিযোগিতা করবে? আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কার করুন এবং সবাইকে সমান সুযোগ দিন।’

বুধবার সকাল নাগাদ এই পিটিশনে স্বাক্ষরের সংখ্যা ৭৫ লাখ ছাড়িয়ে যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এই পিটিশনের দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। ফিফাও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি বা কোনো তদন্তের ঘোষণা দেয়নি। ফলে এটি মূলত সমর্থকদের উদ্যোগে চালু হওয়া একটি অনলাইন প্রচারণা হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

এদিকে এমন বিতর্কের মধ্যেই দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম উত্তপ্ত এই দ্বৈরথে নতুন মাত্রা যোগ করেছে মাঠের বাইরের ঘটনাও।

ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন অবশ্য এসব বিতর্ককে গুরুত্ব দিতে নারাজ। আইটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘খেলোয়াড় হিসেবে আমরা শুধু একটি দুর্দান্ত দলের বিপক্ষেই খেলতে নামছি। তারা বুদ্ধিমান, কৌশলী, কীভাবে ফাউল আদায় করতে হয় বা ম্যাচের গতি কমিয়ে আনতে হয়, তা ভালো জানে। ক্যারিয়ারে এমন অনেক দলের বিপক্ষেই খেলতে হয়।’

প্রসঙ্গত, ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা দ্বৈরথের ইতিহাসে রয়েছে বহু নাটকীয় ঘটনা। বিশেষ করে ১৯৮৬ বিশ্বকাপে দিয়েগো ম্যারাডোনার বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল এবং ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ ইস্যু দুই দেশের প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আরও তীব্র করে তুলেছে। এবার সেই ইতিহাসে যোগ হতে যাচ্ছে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

source: Daily Amar Desh

Back to top button