বিশ্ব

নির্বাচনে চীনের হস্তক্ষেপের দাবি ট্রাম্পের, প্রত্যাখ্যান বেইজিংয়ের

২০২০ সালের নির্বাচনে চীন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার কিছু গোপন সরকারি নথি প্রকাশ করেছেন তিনি। এসব নথির ভিত্তিতে ট্রাম্প দাবি করেন, চীন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনি তথ্য সংগ্রহ করেছে এবং নির্বাচন ব্যবস্থা দুর্বল করার চেষ্টা করেছে।

তবে এর আগে ২০২১ সালের মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার এক মূল্যায়নে বলা হয়েছিল, ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল পরিবর্তন করতে চীন কোনো প্রভাব ফেলেছে—এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সেই নির্বাচনে ট্রাম্প তার প্রতিদ্বন্দ্বী জো বাইডেনের কাছে হেরে যান।

বৃহস্পতিবার ট্রাম্প আবারো দাবি করেন, ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল তার কাছ থেকে ‘চুরি করা হয়েছিল’। তিনি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনও কারচুপির ঝুঁকিতে রয়েছে, যদি ভোট দেওয়ার নিয়মে বড় ধরনের পরিবর্তন না আনা হয়।

ট্রাম্পের দাবি, ২০২০ সালের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কয়েক বছর ধরে চীন প্রায় ২২ কোটি (২২০ মিলিয়ন) মার্কিন ভোটারের তথ্য অবৈধভাবে সংগ্রহ করে। তার মতে, এটি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় নির্বাচনী তথ্য চুরির ঘটনা হতে পারে।

তিনি বলেন, বর্তমান মার্কিন নির্বাচনী ব্যবস্থা নিরাপদ ও নির্ভুল নয়। তিনি চান এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে প্রতিটি ভোট সঠিকভাবে গণনা হবে এবং কারচুপি বা বাইরের হস্তক্ষেপ প্রায় অসম্ভব হবে।

তিনি আরো জানান, তিনি নির্বাচনী ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা তথ্য প্রকাশ করবেন, যা প্রমাণ করবে, বর্তমান ব্যবস্থা হ্যাকিংয়ের জন্য বিপজ্জনকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে চীন। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র লিউ চ্যাং বলেন, ‘বেইজিং বরাবরই অন্যের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতি মেনে চলে। মার্কিন নির্বাচন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অভ্যন্তরীণ বিষয়। এর ফলাফল যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের ভোটের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। চীন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কখনো হস্তক্ষেপ করেনি এবং করবেও না।’

সূত্র: রয়টার্স

আরএ

source: Daily Amar Desh

Back to top button