Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
Uncategorized

নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের আলোচনা নিয়ে মামদানি ও ট্রাম্পের তীব্র বাকযুদ্ধ

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করা নিয়ে নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে তীব্র বাকযুদ্ধ ও রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি জানিয়েছেন, আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে যোগ দিতে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যদি নিউ ইয়র্কে আসেন, তবে গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) কর্তৃক জারি করা পরোয়ানা অনুযায়ী তাঁকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে শহরের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও আইনি দলের সাথে ‘সক্রিয় আলোচনা’ চলছে।দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মামদানি বলেন, নেতানিয়াহু একজন যুদ্ধাপরাধী এবং তাঁর জায়গা নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে।বিদ্যমান আইন যা অনুমতি দেবে, নিউ ইয়র্ক সিটি প্রশাসন কঠোরভাবে তা অনুসরণ করবে।

মেয়র মামদানির এই বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দেন, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে নেতানিয়াহুকে ‘কোনোভাবেই, কোনো রূপেই গ্রেপ্তার করা হবে না’। ট্রাম্প যুক্তি দেন যে, নেতানিয়াহু বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের আগ্রাসন ও নীতির বিরুদ্ধে প্রধান ভূমিকা পালন করছেন।

ইরান প্রসঙ্গে তীব্র মন্তব্য করে ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও বলেন, সম্প্রতি দেশটি নিজের প্রায় ৫২ হাজার নিরপরাধ বিক্ষোভকারীকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে এবং বিগত ৪৭ বছর ধরে মার্কিন সেনা ও অন্যান্য নাগরিকদের প্রাণহানির জন্য দায়ী।

ট্রাম্পের দাবি, আগের মার্কিন প্রেসিডেন্টদের ব্যর্থ নীতির কারণেই ইরান আজ এই নজিরবিহীন মৃত্যু ও ধ্বংসের মুখোমুখি হয়েছে। তাই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে নয়, বরং তৎকালীন মার্কিন নীতি নির্ধারণ করে যারা ইরানকে এই ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিয়েছে, একমাত্র তাদেরই অবিলম্বে গ্রেপ্তার করা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

source: Azadir Dak

Leave a Reply

Back to top button