বিশ্ব

ট্রাম্পের নেতৃত্বে পরিচালিত হবে হামাসমুক্ত গাজার শাসন

হামাসকে নিরস্ত্র করা এবং গাজার শাসনভার একটি অরাজনৈতিক বেসামরিক সংস্থার কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনা নিয়ে গঠিত ‘গাজা বোর্ড অব পিস’ একটি যুগান্তকারী রূপরেখা ঘোষণা করেছে। গাজা উপত্যকার যুদ্ধপরবর্তী স্থিতিশীলতা, পুনর্গঠন ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার জন্য রূপরেখায় যে প্রধান সংস্থা ও গোষ্ঠীগুলোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলো নিচে তুলে ধরা হলো—

গাজা বোর্ড অব পিস

এটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যার আজীবন চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধপরবর্তী গাজার উচ্চপর্যায়ের কৌশলগত পরিকল্পনা, স্থিতিশীলতা রক্ষা ও পুনর্গঠন তহবিলের মূল তদারকি করবে এই বোর্ড।

ফাউন্ডিং এক্সিকিউটিভ বোর্ড

সাত সদস্যের এই নির্বাহী বোর্ডের নেতৃত্বে রয়েছেন যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার। এ বোর্ডের কাজ হলো ‘বোর্ড অব পিস’-এর মূল লক্ষ্য বাস্তবায়ন ও কাজের এজেন্ডা নির্ধারণ করা। এর সম্ভাব্য অন্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক মার্কিন প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ এবং বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গ।

গাজা এক্সিকিউটিভ বোর্ড

এটি মূলত একটি দ্বিতীয় পর্যায়ের পরিচালন পর্ষদ। গাজার পুনর্গঠনকাজ সরাসরি পরিচালনা করা এবং আঞ্চলিক কূটনীতিকদের সঙ্গে সমন্বয় করাই এর প্রধান দায়িত্ব।

ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজা

এটি একটি অরাজনৈতিক এবং প্রযুক্তিবিদদের (টেকনোক্র্যাট) সমন্বয়ে গঠিত ফিলিস্তিনি কমিটি। গাজা উপত্যকার দৈনন্দিন বেসামরিক প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করবে এই সংস্থা। এতে হামাসের কোনো অংশগ্রহণ থাকবে না।

ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স

এটি মিত্র দেশগুলোর সমর্থনে গঠিত একটি বহুজাতিক বাহিনী। নতুন গঠিত স্থানীয় পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে মিলে এলাকাটির নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করবে তারা। এই বাহিনীতে ইন্দোনেশিয়ার পাশাপাশি মরক্কোর মতো দেশগুলো যুক্ত হতে পারে, যারা ইতোমধ্যে পুলিশ প্রশিক্ষণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

নিউ গাজা পুলিশ ফোর্স

রূপরেখা অনুযায়ী হামাস যেসব এলাকা থেকে সরে দাঁড়াবে, সেসব এলাকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব নেবে সদ্য গঠিত এই স্থানীয় পুলিশ বাহিনী। তবে গাজার নতুন এই পুলিশ ইউনিটে সদস্য নিয়োগ ও তাদের বাছাই প্রক্রিয়ার মানদণ্ড কী হবে, তা নিয়ে এখনও প্রশ্ন রয়ে গেছে।

এএম

source: Daily Amar Desh

Leave a Reply

Back to top button