News
বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষ বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের সরবরাহের কারণে কষ্টে আছে: প্রতিমন্ত্রী অমিত

তীব্র লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে জাতীয় সংসদে দেশবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, আমরা নিছক কথামালার আড়ালে প্রকৃত সত্যকে লুকাতে চাই না। বলতে কোনও দ্বিধা নেই, বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষ বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের সরবরাহের কারণে কষ্টে আছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল ইসলাম বুলবুলের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে উল্লেখ করে নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, গত ৯ আগস্ট দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি ছিল ৩ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট। তার দাবি, এ বছরের সবচেয়ে বেশি ঘাটতি নয়, গোটা ৫৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘাটতি।
এই ঘাটতি পূরণে সরকারের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ কী এবং ৩ হাজার ৭০০ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা কতদিনের মধ্যে বাস্তবায়ন করা সম্ভব—প্রতিমন্ত্রীর কাছে তা জানতে চান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী অমিত বলেন, আমরা নিছক কথামালার আড়ালে প্রকৃত সত্যকে লুকাতে চাই না। বলতে কোনও দ্বিধা নেই, বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষ বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের সরবরাহের কারণে কষ্টে আছে।
তিনি বলেন, এই পরিস্থিতির জন্য শুধু মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও বাংলাদেশের জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। বর্তমান সংকটকে দীর্ঘদিনের ভুল নীতির অনিবার্য পরিণতি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ১২ হাজার মেগাওয়াট। এই সক্ষমতা কাজে লাগাতে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন। অথচ দেশীয় উৎপাদন ও আমদানি করা এলএনজি মিলিয়ে পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ করা যাচ্ছে না। ফলে বিদ্যুৎ, শিল্প ও গৃহস্থালি খাতে গ্যাস সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে হচ্ছে।
source: The Dhaka Diary