সর্বশেষ

একের পর এক বিএনপির এমপি-মন্ত্রীদের আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস, তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপির কয়েকজন সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিসভার সদস্যের কথিত আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এসব ভিডিও নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য ও প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও সংশ্লিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত সরকার বা বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য বা সাংগঠনিক ব্যবস্থা প্রকাশ্যে জানানো হয়নি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত ব্যক্তিদের মধ্যে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও পঞ্চগড়-২ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন আজাদ, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান এবং সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমেদ চৌধুরীর নাম উল্লেখ করা হচ্ছে। তবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনেক ব্যবহারকারী অভিযোগ করছেন, বিষয়টি নিয়ে দেশের মূলধারার গণমাধ্যমগুলো তুলনামূলকভাবে কম সংবাদ প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে তারা অতীতের কিছু আলোচিত ঘটনার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা টেনে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে ভিন্ন মানদণ্ড অনুসরণ করা হচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নও তুলছেন।

অনলাইনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘আজাদির ডাক’ এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, অতীতে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম বিষয়টি নিয়ে ধারাবাহিকভাবে একাধিক সংবাদ ও ডিজিটাল কনটেন্ট প্রকাশ করেছিল। একই প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপির এক প্রতিমন্ত্রীকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত ভিডিওর বিষয়ে ওই সংবাদমাধ্যমে কোনো সংবাদ প্রকাশ করা হয়নি।

তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। একইভাবে ভাইরাল ভিডিওগুলোর সত্যতা কিংবা সেগুলোর প্রেক্ষাপট সম্পর্কেও কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন এখন পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি।

গণমাধ্যম বিশ্লেষকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া যেকোনো ভিডিও বা তথ্য প্রকাশের আগে তার সত্যতা, প্রেক্ষাপট ও জনস্বার্থ বিবেচনা করা সংবাদমাধ্যমের দায়িত্ব। একই সঙ্গে একই ধরনের ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখাও গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

এদিকে ভাইরাল ভিডিও এবং তা ঘিরে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে সরকার, সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দল কিংবা অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আনুষ্ঠানিক অবস্থান প্রকাশ পেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

source: Azadir Dak

Leave a Reply

Back to top button