News

মাদ্রাসার ছাদে খেলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ৫ ছাত্রী, ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মাদ্রাসার ছাদে খেলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পাঁচ ছাত্রী আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজনের শরীরের ৪৫ থেকে ৮২ শতাংশ পুড়ে গেছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, এই তিন ছাত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সদর উপজেলার কাশিপুরের হাজীপাড়া এলাকার মাহেলা খাতুন বালিকা মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। আহত পাঁচ ছাত্রীকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

দগ্ধ ছাত্রীরা হলো মোছাম্মদ জিদনি (১৪), লামিয়া (১৪), মরিয়ম (১২), আতিয়া (১১) ও আছিয়া (১০)।

রাত ১১টার দিকে হাসপাতাল থেকে পাওয়া প্রতিবেদন অনুযায়ী, জিদনির শরীরের ৮২ শতাংশ, লামিয়ার ৫৫ শতাংশ এবং আতিয়ার ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। চিকিৎসকেরা এই তিন ছাত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন। এ ছাড়া মরিয়মের শরীরের ১৩ শতাংশ এবং আছিয়ার শরীরের ৭ শতাংশ পুড়ে গেছে।

স্থানীয় লোকজনের বরাতে নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন জানান, বিকেলে মাদ্রাসার তিনতলা ভবনের ছাদে ছাত্রীরা খেলছিল। এ সময় তাদের সঙ্গে একটি আখ ছিল। ভবনের ছাদের ওপর উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বৈদ্যুতিক সঞ্চালন তার রয়েছে। অসাবধানতাবশত আখ ওই বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে এলে ছাত্রীরা দগ্ধ হয়।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সুলতান মাহমুদ শিকদার প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দগ্ধ হয়ে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী পাঁচজন ছাত্রী জরুরি বিভাগে এসেছে। তারা চিকিৎসাধীন ও পর্যবেক্ষণে রয়েছে।’

মাদ্রাসাটিতে বিভিন্ন শ্রেণিতে আড়াই শ ছাত্রী পড়াশোনা করে বলে জানিয়েছেন পরিচালক মুফতি আবদুর রহমান। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘বিকেলে কয়েকজন বাচ্চা ছাদে খেলতে গেলে বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে পাঁচজন আহত হয়। তাদেরকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। রবিবার সকালে চিকিৎসার অগ্রগতি জানা যাবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।’

source: The Daily Campus

Leave a Reply

Back to top button