নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলায় বিএনপির সম্পৃক্ততা নেই: রাশেদ খান

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ছেঁউড়িয়ায় লালন সাঁইয়ের মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা ও তার গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মুখ খুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
তিনি জানান, এ ঘটনার সঙ্গে কুষ্টিয়া বিএনপির নেতাকর্মীদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
রবিবার (৪ অক্টোবর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান লেখেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গতকাল থেকে কুষ্টিয়ায় ছিলেন। কুষ্টিয়ার বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরিও করেছেন।
বিএনপি বা অঙ্গসংগঠনের কেউ তার সঙ্গে কোনো ঝামেলায় যায়নি। আজকে রাতে তিনি লালন শাহের মাজারে গেছেন। তার সঙ্গে এনসিপির নেতাকর্মীরাও ছিল। সেখানে গিয়ে মাজারে অবস্থানরত পাগলদের সঙ্গে বেশ সময় কাটিয়েছেন।
চলে আসার সময় কতিপয় ব্যক্তির সঙ্গে এনসিপির নেতাকর্মীদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। সেখান থেকে একটি গাড়ি ভাঙচুরের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার সঙ্গে কুষ্টিয়া বিএনপির নেতাকর্মীদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
তিনি লেখেন, এ বিষয়ে কুষ্টিয়ার স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিএনপির নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছি। এই বিষয়টি কারো নখদর্পণে ছিল না।
এমনকি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যে, লালন শাহের মাজারে গেছেন, এটাও প্রশাসনের কাউকে অবহিত করেননি।
রাশেদ খানের প্রশ্ন, একজন নেতা প্রশাসনকে অবহিত না করে যত্রতত্র চলাফেরা করতে পারেন? যা-ই হোক, ঘটনা জানতে পেরে পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত হয়। কিন্তু নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পুলিশি নিরাপত্তায় খানিকটা এসে, গাড়ি পরিবর্তন করে দ্রুতবেগে স্থান ত্যাগ করেন।
তিনি আরো লেখেন, ঝিনাইদহের ঘটনায় যেখানে তিনি সঙ্গে সঙ্গে থানায় চলে গেলেন, কিন্তু কুষ্টিয়ায় ঘটনায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কেন পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে দ্রুতবেগে গেলেন? বিষয়টি নিয়ে এক ধরনের সন্দেহ থেকে যায়।
source: Barta Bazar