News

ট্রাম্পের ছেলেকে হত্যা করতে পারলে এক কোটি ডলার পুরষ্কার ঘোষণা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কনিষ্ঠ ছেলে ২০ বছর বয়সি ব্যারন ট্রাম্পকে হত্যার সরাসরি হুমকি দিয়ে ভিডিও প্রচারের বিষয়টি নজরে আসার কথা নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিস।ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম (আইআরআইবি)-তে প্রচারিত তিন মিনিটের ওই গ্রাফিক্যাল ভিডিওতে ব্যারন ট্রাম্পের চলাচলের সম্ভাব্য স্থান, যাতায়াতের পথ এবং নিউইয়র্কের ট্রাম্প টাওয়ারসহ বিভিন্ন লোকেশনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ‘Where to kill Barron Trump?’ (ব্যারন ট্রাম্পকে কোথায় হত্যা করা হবে?) শিরোনামের ভিডিওটির শেষাংশে ১ কোটি মার্কিন ডলার পুরস্কারের কথাও উল্লেখ করা হয়।

এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিসের মুখপাত্র নেট হেরিং এক বিবৃতিতে জানান, সংস্থাটি ভিডিওটির বিষয়ে অবগত এবং সুরক্ষাধীন ব্যক্তিদের ওপর সম্ভাব্য সব হুমকি অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছে।তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে এ ধরনের গোয়েন্দা তথ্যের বিস্তারিত প্রকাশ করা হয় না।জানা গেছে, ইরানের কট্টরপন্থীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা এবং দেশটির সর্বোচ্চ নেতার অধীনে পরিচালিত আইআরআইবি-তে সপ্তাহান্তে এই ভিডিওটি সম্প্রচার করা হয়।মার্কিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার এক কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ট্রাম্প ও তার পরিবারকে লক্ষ্য করে ইরান থেকে তৈরি হতে থাকা ধারাবাহিক ভিডিওর অংশ এটি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাসমূহের প্রাপ্ত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রেসিডেন্ট ও তার পরিবারের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়মিত সমন্বয় করা হচ্ছে।এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই নিজের জীবন নিয়ে ইরানের হুমকির বিষয়ে প্রকাশ্যে উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন।জুলাই মাসে তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলনের সময়েও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে গোপনীয়ভাবে বিকল্প সামরিক বিমানে তাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে মার্কিন হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলেইমানি নিহত হওয়ার পর থেকেই ইরান ট্রাম্পের ওপর প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছে।পরবর্তীতে এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই উত্তেজনা নতুন রূপ নেয়।এরপর থেকেই একাধিকবার ট্রাম্প পরিবার ও তার ঘনিষ্ঠদের লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক মাধ্যমে নানা ধরনের হুমকির উপাদান প্রচার করে আসছে ইরানি গোষ্ঠীগুলো।

source: Azadir Dak

Leave a Reply

Back to top button