প্রশ্ন ফাঁসের তদন্ত কমিটিকে ‘যেমন খুশি তেমন সাজো’ আখ্যা দিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ তদন্তে গঠিত কমিটিকে ‘যেমন খুশি তেমন সাজো’ আখ্যা দিয়ে তা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য ও দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন ফাঁস ও জালিয়াতিতে জড়িতদের পাশাপাশি কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্তদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন। শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেয়া এক পোস্টে তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান।
শনিবার যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ‘সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা’ পদের (১১তম গ্রেড) নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে পরীক্ষা শুরু আগেই প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। এর প্রতিবাদে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ শুরু করেন ক্ষুব্ধ চাকরিপ্রার্থীরা। আন্দোলনের একপর্যায়ে ঘটনার তদন্তে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।
মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিবকে আহ্বায়ক এবং প্রশাসন অধিশাখার উপসচিবকে সদস্যসচিব করে গঠিত এই কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ উল্লাহ স্বাক্ষরিত ওই অফিস আদেশটির ছবি ফেসবুকে শেয়ার করে এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ লেখেন, ‘যারা চুরি করে, তাদেরকেই চোর ধরার দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে। চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে জনগণ যাকে প্রত্যাখ্যান করেছে, তাকেই বানানো হয়েছে এই চোরদের সর্দার।’
কমিটি বাতিলের দাবি জানিয়ে তিনি আরও লেখেন, ‘চোর ও চোরের সর্দার-উভয়কেই শাস্তির আওতায় আনতে হবে। এই প্রহসনের নাটকীয় ‘যেমন খুশি তেমন সাজো’ কমিটি বাতিল করো।’
source: Barta Bazar