আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিলেন ভিডিও ছড়িয়ে পড়া এমপির প্রথম স্ত্রী

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামের এক তরুণীর সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজের ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পরপরই দলীয় মিডিয়া সেল থেকে ভিডিওটি এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) দিয়ে তৈরি বলে দাবি করা হলেও, তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান ‘বেঙ্গল লেন্স’ তাদের অনুসন্ধানে ভিডিওটিকে সম্পূর্ণ আসল বলে চিহ্নিত করেছে। পরবর্তীতে জামায়াত নেতারা এবং স্বয়ং সংসদ সদস্যও স্বীকার করেছেন যে ভিডিওতে দৃশ্যমান নারী তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সিসিটিভি ফুটেজে ২০২৩ সালের ১ জুলাই তারিখ দেখা গেলেও সংসদ সদস্য গাজী নজরুলের দাবি—চলতি বছরের ১৭ জুন পারিবারিকভাবে এবং প্রথম স্ত্রীর পূর্ণ সম্মতিতে তাঁদের এই বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। বিষয়টি কেন্দ্র করে বিভ্রান্তি ছড়ালে ভিডিও বার্তা দিয়েছেন এমপি গাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলাম।
২৯ সেকেন্ডের সেই ভিডিও বার্তায় প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলাম বলেন, “আমার স্বামীর (গাজী নজরুল ইসলাম) সঙ্গে মরিয়মের বিয়ে হয়েছে। এটি নিয়ে যারা অহেতুক কুৎসা রটাচ্ছে, আমি সেটার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অপপ্রচার চালানো থেকে বিরত না থাকলে আমি তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব।”
এদিকে ভিডিওর বিষয়ে জানতে চাইলে সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান মাওলানা আজিজুর রহমান জানান, বিষয়টি তাঁদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এমপি সাহেব দলীয়ভাবে জানিয়েছেন যে ভিডিওতে দেখা যাওয়া নারী তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী এবং প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতেই তাঁদের বিয়ে হয়েছে। তিনি আরও জানান, ওই নারীর আদি বাড়ি সাতক্ষীরার শ্যামনগরে হলেও তাঁর পরিবার বর্তমানে ঢাকায় বসবাস করে।
তবে বিয়েটি ঠিক কবে সম্পন্ন হয়েছিল—এমন প্রশ্নের জবাবে জামায়াতের এই নেতা সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ উল্লেখ করতে পারেননি। তিনি কেবল জানান যে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে ‘বেশ কিছু দিন আগে’ এই বিবাহকার্য সম্পন্ন হয়েছে।
source: Azadir Dak

