সেই ‘নিরপেক্ষ অ্যাক্টিভিস্ট’ সাইয়েদ আবদুল্লাহকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী নিয়োগ

প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:
২০২৪ সালের ৫ আগেস্টর ঠিক আগ মুহূর্তে ছাগল-কাণ্ড সামনে আনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মো. সাইয়েদ বিন আবদুল্লাহকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (যুব কর্মসংস্থান বিষয়ক) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে এই নিয়োগ দেওয়া হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মো. সাইয়েদ বিন আব্দুল্লাহকে অন্য যে কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংগঠন-এর সাথে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ হতে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল অথবা তাঁর সন্তুষ্টি সাপেক্ষে (যেটি আগে ঘটে) প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (যুব কর্মসংস্থান বিষয়ক) পদে গ্রেড-২ পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হলো।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।
জানা যায়, ২০২৪ সালের ঈদুল আজহার আগে ১২ লাখ টাকার ছাগলের বায়না করা তরুণ মুশফিকুর রহমান ইফাতের কর্মকাণ্ড, তার পরিচয় এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য মো. মতিউর রহমানের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে একাধিক পোস্ট দিয়েছিলেন সাইয়েদ আবদুল্লাহ।
পরে মতিউর গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, মুশফিকুর তার ছেলে নন। কিন্তু সাইয়েদ আবদুল্লাহর অনুসন্ধান ও গণমাধ্যমের খবরে বেরিয়ে আসে মুশফিকুর এনবিআরের কর্মকর্তা মতিউর রহমানের দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তান। গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে মতিউর পরিবারের বিপুল সম্পদের তথ্য উঠে আসে।
পরে সরকার মতিউরকে এনবিআরের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। সে সময় তাঁকে সরানো হয়েছিল সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ থেকেও।
একই সময়ে আদালত মতিউর এবং তার স্ত্রী লায়লা কানিজ ও ছেলে আহমদ তৌফিকুর রহমানের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন।
প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট/আ/মু
Source: thedhakadiary.com

