News

জাপানে প্রধানমন্ত্রীর বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, ৫ ঘন্টা বিলম্বে ছাড়ল ফ্লাইট

বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিমান© সংগৃহীত

জাপান সফর শেষে দেশে ফেরার পথে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় প্রায় ৫ ঘণ্টা বিলম্বে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড্ডয়নের ঠিক আগমুহূর্তে এই কারিগরি বিভ্রাট ঘটে। প্রকৌশলীরা সফলভাবে উড়োজাহাজের ত্রুটি সারিয়ে তোলার পর জাপানের স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৪৪ মিনিটে বিমানটি ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনারের ‘বিজি-৩৭৭’ ফ্লাইটটি জাপানের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় রওনা হওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ের পর সন্ধ্যা ৬টা ১৮ মিনিটের দিকে বিমানটি রানওয়ের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় ককপিট থেকে পাইলট ক্যাপ্টেন মো. ইমামুল ইসলাম ফ্লাইটের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার হাইড্রোলিক স্পয়লারে ত্রুটি সনাক্ত করেন। ফলে উড্ডয়ন বাতিল করে বিমানটিকে রানওয়ে থেকে পুনরায় পার্কিং এলাকায় ফিরিয়ে আনা হয়।

নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সফরসঙ্গীসহ সব যাত্রীকে বিমান থেকে নামিয়ে বিমানবন্দরের লাউঞ্জে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের নিজস্ব প্রকৌশলী দল এবং জাপানি প্রযুক্তিবিদরা যৌথভাবে ত্রুটি দূরীকরণের কাজ শুরু করেন। কয়েক ঘণ্টার নিবিড় মেরামতের পর কারিগরি সমস্যাটির সফল সমাধান করা সম্ভব হয় এবং রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে যাত্রীদের পুনরায় বোর্ডিং শুরু হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এই অনাকাঙ্ক্ষিত বিলম্বের কারণে যাত্রীদের সাময়িক দুর্ভোগের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। টোকিও বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি জানান যে, যান্ত্রিক ত্রুটি সম্পূর্ণভাবে দূর করা হয়েছে এবং বিমানটি উড্ডয়নের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ বলে প্রত্যয়িত হওয়ার পরই যাত্রার সবুজ সংকেত দেওয়া হয়।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশে ফিরছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। এই দীর্ঘায়িত বিলম্বের কারণে বিশেষ ফ্লাইটটি শুক্রবার ভোররাত আনুমানিক ৩টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে।

source: The Dhaka Diary

Leave a Reply

Back to top button