১৯ সেপ্টেম্বরের ঢাকা–রংপুর লংমার্চ সফল করতে জামায়াত ঢাকা মহানগরী উত্তরের প্রস্তুতি সভা

সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বানে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ঢাকা–রংপুর লংমার্চ সফল ও সার্থক করার লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তর।
রোববার দুপুরে রাজধানীর বারিধারায় মহানগরী উত্তরের কার্যালয়ে এ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।
সভায় ১৯ সেপ্টেম্বরের লংমার্চকে সফল করতে বিভিন্ন সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। কর্মসূচিতে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো, সাংগঠনিকভাবে প্রস্তুতি জোরদার করা এবং সংশ্লিষ্টদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টনসহ বিভিন্ন বিষয়ে পরিকল্পনা নেওয়া হয়। একই সঙ্গে বিভাগভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করে নেতাকর্মীদের নির্দিষ্ট দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্যের উত্থাপিত সাত দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করা হলে তা দেশ ও জাতির জন্য কল্যাণকর হবে। বিশেষ করে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নসহ উত্থাপিত দাবিগুলো সরকার যত দ্রুত মেনে নেবে, দেশের জন্য ততই মঙ্গল হবে।
তিনি বলেন, সরকার এসব দাবি দ্রুত বাস্তবায়নে উদ্যোগ না নিলে জনগণকে সংগঠিত করে দাবি আদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় কর্মসূচি পালন করা হবে। জনগণের ন্যায্য দাবিগুলো মেনে নিতে সরকারকে বাধ্য করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন ১৯ সেপ্টেম্বরের ঢাকা–রংপুর লংমার্চ সফল করতে দলীয় নেতাকর্মীদের সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, কর্মসূচিকে সফল করতে সাংগঠনিকভাবে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাকর্মীদের নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।
প্রস্তুতি সভায় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম, মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, নাজিম উদ্দীন মোল্লা, ডা. ফখরুদ্দিন মানিক ও ইয়াসিন আরাফাত উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য জিয়াউল হাসান, জামাল উদ্দিন ও আতাউর রহমান সরকারসহ মহানগরী উত্তর জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা সভায় অংশ নেন।
সভায় নেতারা ১৯ সেপ্টেম্বরের কর্মসূচিকে সামনে রেখে সাংগঠনিক প্রস্তুতি আরও জোরদার করা, দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাকর্মীদের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং কর্মসূচির বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের অবহিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
source: Azadir Dak