Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
Bd বাংলাদেশ

এশিয়ার আট দেশের ১৬টি মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান

প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:

ইরান এবং তার মিত্রদের ধারাবাহিক হামলায় পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থিত অধিকাংশ মার্কিন সামরিক ঘাঁটি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে সিএনএনের এক বিশেষ অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই অঞ্চলের অন্তত আটটি দেশে ছড়িয়ে থাকা ১৬টি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে, যার ফলে কয়েকটি ঘাঁটি বর্তমানে কার্যত ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

একজন মার্কিন কংগ্রেসনাল এইড, যিনি এই ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে অবগত, জানান যে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অবস্থানের বড় অংশই এসব হামলার কারণে অচল হয়ে গেছে। ওয়াশিংটনের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে এই অবকাঠামোগত ক্ষতি এবং ভবিষ্যতে হামলা মোকাবিলার সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সিএনএনের এই অনুসন্ধানে কয়েক ডজন স্যাটেলাইট ছবি এবং যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর সংশ্লিষ্ট সূত্রের সাক্ষাৎকার বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নিয়ে বিভিন্ন তথ্য সামনে এসেছে। একটি সূত্র জানিয়েছে, কিছু ক্ষেত্রে পুরো স্থাপনা ধ্বংস হয়ে গেছে এবং সেগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে কিছু সামরিক কর্মকর্তা মনে করছেন, কৌশলগত কারণে বিপুল ব্যয় সত্ত্বেও এসব ঘাঁটি মেরামত করা প্রয়োজন। এক মার্কিন সূত্র পরিস্থিতিকে নজিরবিহীন উল্লেখ করে বলেছে, এর আগে মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার এমন দুর্বল অবস্থা দেখা যায়নি।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ইরান পরিকল্পিতভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয়বহুল ও গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জামগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যায়, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মূলত উন্নত রাডার সিস্টেম, যোগাযোগ অবকাঠামো এবং আধুনিক যুদ্ধবিমানকে আঘাত করেছে। কংগ্রেসনাল এইডের মতে, রাডার ব্যবস্থাগুলো ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ও সীমিত সম্পদের মধ্যে একটি হওয়া সত্ত্বেও ইরান এগুলোকে প্রধান লক্ষ্য হিসেবে ধ্বংস করেছে। এসব সম্পদ প্রতিস্থাপন ব্যয়সাপেক্ষ এবং সময়সাপেক্ষ বলেও মনে করছেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা।

পেন্টাগনের কমপট্রোলার জুলস জে হার্স্ট থ্রি গত বুধবার আইনপ্রণেতাদের জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার। তবে সিএনএনের সূত্র দাবি করেছে, অভ্যন্তরীণ হিসাবে এই ব্যয়ের প্রকৃত পরিমাণ ৪০ থেকে ৫০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি।

যুদ্ধের এই আর্থিক ও সামরিক ক্ষতির প্রভাব উপসাগরীয় অঞ্চলের মিত্র দেশগুলোর মধ্যেও পড়েছে বলে জানা গেছে। এক সৌদি কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, এই যুদ্ধ দেখিয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিত্রতা সম্পূর্ণ নির্ভরযোগ্য নয়। উল্লেখ্য, ইরান বরাবরই দাবি করে আসছে, তাদের ওপর হামলার জন্য এসব ঘাঁটি ব্যবহার করা হওয়ায় তারা আত্মরক্ষার্থে পাল্টা আঘাত করেছে।

প্রবাস কন্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট/আ/মু

Source: thedeltalens.com

Leave a Reply

Back to top button